মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সন্ধ্যা ৬টায় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করবে বিজেপি (BJP)। যদি একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন এবং প্রত্যাহার না করেন, তাহলে ৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার, ভোট গ্রহণ হবে। সেক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা থেকে ১:৩০ টা ভোটগ্রহণ হবে।

বঙ্গ বিজেপির পরবর্তী রাজ্য সভাপতি কে?
শেষ আপডেট: 2 July 2025 09:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বঙ্গ বিজেপির সভাপতি নির্বাচনের (State president of Bengal BJP) প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল। দলের নিয়ম অনুসারে ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতি মেনে সভাপতি পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিজেপি। মঙ্গলবার রিটার্নিং অফিসার দীপক বর্মনের তরফে ‘সংগঠন পর্ব ২০২৪’-এর নোটিফিকেশন জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় নোটিফিকেশন প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভোটার তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বুধবার অর্থাৎ ২ জুলাই দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত চলবে মনোনয়ন পর্ব। সময় ভাগ করা হয়েছে তিনটি পর্যায়ে—
দুপুর ২টো থেকে ৪টে: মনোনয়নপত্র জমা।
বিকেল ৪টা থেকে ৫টা: স্ক্রুটিনি।
বিকেল ৫টা থেকে ৬টা: মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার।
মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সন্ধ্যা ৬টায় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করবে বিজেপি (BJP)। যদি একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন এবং প্রত্যাহার না করেন, তাহলে ৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার, ভোট গ্রহণ হবে। সেক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা থেকে ১:৩০ টা ভোটগ্রহণ হবে। তারপরই ভোটগণনা এবং বঙ্গ বিজেপির (West Bengal BJP) নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা হবে।

স্বভাবতই কৌতূহল তৈরি হয়েছে পরবর্তী রাজ্য সভাপতির নাম এবং মনোনয়ন পর্ব নিয়ে। সভাপতি পদে কি একটাই নাম নাকি একাধিক? পুরনো অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি নতুন সদস্যদের নামও উঠে আসছে আলোচনায়। সূত্রের খবর, সম্ভাব্য শীর্ষে রয়েছে রাজ্যসভার সাংসদ ও দলের প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের নাম। অন্যদিকে রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার, পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো এবং বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের (Agnimitra Paul) মতো নেতাদের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে দলের একটি অংশ শমীক ভট্টাচার্যকেই এগিয়ে রাখছেন।
বিজেপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সভাপতি পদে একজন ব্যক্তি সর্বাধিক ৬ বছর থাকতে পারেন। ২০২১ সালে সুকান্ত মজুমদার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। যদিও তাঁর প্রথম দফার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, দ্বিতীয় দফার বিষয়ে কোনও ঘোষণা হয়নি।
কিন্তু সুকান্ত মজুমদার বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির নিয়ম অনুযায়ী, মন্ত্রী পদে থাকলে সভাপতি পদে থাকা যাবে না। এই কারণেই নতুন সভাপতির প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। বছর ঘুরলেই রাজ্যের বিধানসভা ভোট। এখন দেখার পরবর্তী সভাপতি হিসেবে কার কাঁধে গুরু দায়িত্ব বর্তায়।