Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানোর অফিস কোথায়? স্বরাষ্ট্র সচিবের রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

অভিযোগ, নাম কা ওয়াস্তে খাতায় কলমে কলকাতায় একটি পুলিশ কমপ্লেন সেন্টার থাকলেও তাদের নেই কোনও অফিস, নেই কোনও কর্মী। অর্থাৎ পুলিশের বিরুদ্ধে মানুষের অভিযোগ জানানোর জন্যও কোনও ব্যবস্থা নেই। 

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানোর অফিস কোথায়? স্বরাষ্ট্র সচিবের রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

প্রতীকী ছবি।

শেষ আপডেট: 18 April 2024 19:28

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুলিশ সংক্রান্ত বিষয়ে মানুষের অনেক অভিযোগ থাকে। তা নিরসনে দেশের সমস্ত রাজ্যে সমস্ত জেলায় একটি করে পুলিশ কমপ্লেন সেন্টার বা অভিযোগ কেন্দ্র তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

শীর্ষ আদালতের ওই নির্দেশের পর ১৮ বছর অতিক্রান্ত, অথচ রাজ্যের জেলায় জেলায় এখনও কোনও পুলিশ কমপ্লেন সেন্টার গড়ে তোলা হয়নি! অভিযোগ, নাম কা ওয়াস্তে খাতায় কলমে কলকাতায় একটি পুলিশ কমপ্লেন সেন্টার থাকলেও তাদের নেই কোনও অফিস, নেই কোনও কর্মী। অর্থাৎ পুলিশের বিরুদ্ধে মানুষের অভিযোগ জানানোর জন্যও কোনও ব্যবস্থা নেই। 

বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবের রিপোর্ট তলব করল হাইকোর্ট। রিপোর্ট তলব করেছে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চ। 

এর আগে ২০০৬ সালে শীর্ষ আদালতের তরফে নির্দেশ জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়, দেশের সমস্ত রাজ্যে সমস্ত জেলায় একটি করে পুলিশ কমপ্লেন সেন্টার তৈরি করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সেখানে ‘পুলিস’ সংক্রান্ত বিষয়ে' তাদের যাবতীয় ক্ষোভ বিক্ষোভের কথা জানাতে পারেন। কিন্তু অভিযোগ, ওই নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এখনও পর্যন্ত কলকাতা ছাড়া রাজ্যের কোনও জেলায় পুলিশ কমপ্লেন সেন্টার তৈরি হয়নি। 

এদিন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানিতে মামলাকারীর তরফে দাবি করা হয়, কলকাতায় যে পুলিশ কমপ্লেন সেন্টার তৈরি হয়েছে তাতে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানকেই পুলিস কমপ্লেন সেন্টারের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও মেম্বার সেক্রেটারি হিসাবে রয়েছেন রাজ্য পুলিসের ডিজি। এবং কলকাতা পুলিস কমিশনারকে সেন্টারের অন্য সদস্য হিসাবে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখার কমিটিতেও পুলিশেরই শীর্ষ কর্তা। 

মামলাকারীর আৎও অভিযোগ, খাতায় কলমে কলকাতায় পুলিশ কমপ্লেন সেন্টার থাকলেও তার কোনও অফিস নেই। এ ব্যাপারে রাজ্যের অবস্য কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। 


```