
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শেষ আপডেট: 28 August 2024 15:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার মেয়ো রোডে টিএমসিপির সমাবেশ থেকে নরমে গরমে আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের কড়া বার্তা শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
৮ অগস্ট মধ্যরাতে আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডের প্রতিবাদে ৯ অগস্ট থেকে কর্মবিরতিতে নেমেছেন আরজি কর-সহ রাজ্যের জুনিয়র চিকিৎসকরা। পরে জুনিয়র চিকিৎসকদের এই আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন সারা দেশের চিকিৎসকরাও। তবে সুপ্রিম কোর্টের অনুরোধের পর সারা দেশের চিকিৎসকরা কাজে ফিরলেও বাংলার জুনিয়র চিকিৎসকরা এখনও কর্মবিরতিতে অনড়।
ওই প্রসঙ্গ টেনে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "১৬ দিন হয়ে গেল। আজকেও জুনিয়র ডাক্তারদের মিছিল আছে। আমি চাই, তাঁরা ভাল করে করুক। আমার সমর্থন তাঁদের সঙ্গে আছে। কারণ,ওরা ওদের বন্ধুর মৃত্যুর বিচার চাইছে। সঙ্গে এটাও বলব, আপনারা তো মানবিক, মানুষকে সেবা দিতে অঙ্গীকার বদ্ধ। সুপ্রিমকোর্টও কাজে যোগ দিতে বলছে। অনেক মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছে। এরা গরিব লোক। এরা কোথায় যাবে? একটা সন্তানসম্ভাবা মায়ের ডেলিভারি তো ডাক্তাররাই করে।"
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, আমরা আপনাদের ব্যবস্থা কোনও নিইনি, নেবও না। ক্ষোভ থাকতে পারে কিন্তু এবার কাজে যোগ দিন।"
'দিল্লিতে কিন্তু জুনিয়র ডাক্তারদের বিরুদ্ধে এফআইআর করে দিয়েছিল', মনে করিয়ে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান বলেন, "সুপ্রিম কোর্টও কিন্তু সেদিন বলেছিল, টু টেক অ্যাকশন নিতে। কিন্তু আমি চাই না ওদের কারও বিরুদ্ধে স্টেপ নিতে। আমি চাই ওরা পড়াশোনা করুক, কারণ আমি যদি কারও বিরুদ্ধে এফআইআর করি তাহলে তার ভবিষ্যতটা নষ্ট হয়ে যাবে। সে আর কোথাও চান্স পাবে না। সে ভিসা পাবে না, পাসপোর্ট পাবে না।"
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "কারও বিরুদ্ধে লিগ্যালি অ্যাকশন নিই তাহলে সে বিচার পাবে না। তার জীবনটা নষ্ট হয়ে যাবে। আমরা সেটা চাই না। আমাদের সরকারের মানবিক মুখ আছে। আমরা একমাত্র সরকার, যারা নারী সুরক্ষার জন্য রাত্রি সাথী তৈরি করেছি। ১০০ কোটি টাকা স্যাংশান করেছি। সিসিটিভি, আলো সহ পরিকাঠামো উন্নতি করেছি।"
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও দাবি, "আগে হেলথ কী ছিল, আর এখন হেলথটা ওয়েলথ হয়ে গেছে।"