যেতে দে সোনা, তাড়াতাড়ি চলে আসব! ছোট্ট ছেলের কান্না থামাতে নাজেহাল বাবা, দেখুন ভিডিও
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাবা কাজে বেরোচ্ছেন। আর তার পা আঁকড়ে ধরে চিলচিৎকার জুড়েছে ছোট্ট ছেলে। কী ভাবছেন, আপনার কাজে বেরোনোর সময়েও এমনটা প্রায়ই ঘটে? কিন্তু এই ঘটনা আপনি আরও ভাল রিলেট করতে পারবেন, আপনি যদি পেশায় পুলিশ হন। ডিউটি-টাইমের ঠিক নেই, ঠিক
শেষ আপডেট: 29 April 2019 09:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাবা কাজে বেরোচ্ছেন। আর তার পা আঁকড়ে ধরে চিলচিৎকার জুড়েছে ছোট্ট ছেলে। কী ভাবছেন, আপনার কাজে বেরোনোর সময়েও এমনটা প্রায়ই ঘটে? কিন্তু এই ঘটনা আপনি আরও ভাল রিলেট করতে পারবেন, আপনি যদি পেশায় পুলিশ হন। ডিউটি-টাইমের ঠিক নেই, ঠিক নেই ঘরে ফেরার সময়ের। ঠিক নেই, নির্দিষ্ট সময়ে ফিরে সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানোর নিশ্চয়তা। তাই আপনাকে এক বার কাছে পেলে আর ছাড়তেই চায় না আপনার ছোট্টোসেনা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যাওয়া ভিডিওটিতেও ঠিক এমনটাই ঘটেছে। দেখা যাচ্ছে, পুলিশ অফিসার বাবা কাজে বেরোচ্ছেন। আর তাঁকে যেতে বাধা দিচ্ছে ছোট্ট ছেলে। ভিডিওটি দেখলে হয়তো অনেকের মতো চোখের জল ধরে রাখতে পারবেন না আপনিও।
অরুণ বথরা নামের এক ব্যক্তির টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট হওয়া ওই ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, ডিউটিতে যাওয়ার সময় পুলিশের পোশাক পরা এক ব্যক্তির পা জড়িয়ে ধরেছে ছোট্ট একটি ছেলে। ওই ব্যক্তি বলছেন, "জানে দে বেটা, জলদি আ যাউঙ্গা।" তার পরেও কাঁদতে কাঁদতে তাঁর পা রীতিমতো আঁকড়ে ধরে আছে ওই শিশুটি। তাকে ছেড়ে যেতে বারণ করছে।
দেখুন সেই আবেগী ভিডিও।
https://twitter.com/arunbothra/status/1122326391620427777
ভিডিওটির সঙ্গে দেও ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, পুলিশের চাকরির এটাই সব চেয়ে কঠিন কাজ। দীর্ঘ ও অনিশ্চিত চাকরি জীবনের জন্য পুলিশদের পরিবারে যে কী অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়, এই ভিডিওটিতে তাই দেখা যাচ্ছে।
১ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি ভাইরাল হতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন বহু নেটিজেন। কেউ কেউ ভিডিওটিকে হৃদয়স্পর্শী বলে উল্লেখ করেন। কেউ আবার পুলিশে কর্মরত মানুষদের আত্মত্যাগের প্রশংসা করে সরকারকে বিষয়টিতে নজর দেওয়া অনুরোধ করেন। কেউ আবার এই ভি়ডিওটির মধ্যে সন্তানের সঙ্গে বাবার নিঃস্বার্থ স্নেহের বন্ধনের প্রশংসা করেন। বলেন, শিশুটি খুবই যত্নশীল ও স্নেহময়। ও বাবার কাছে যা ভালবাসা পায় তাই ফেরত দিচ্ছে।
নগেন্দ্র প্রসাদ নায়েক নামে আর এক ব্যক্তি এই ভিডিও পোস্ট করে লেখেন, প্রতিটি পুলিশ পরিবারের এটাই বাস্তব ছবি। যেখানে বাবা ও ছেলে দু’জনেরই চোখের জল পড়ে ছেড়ে যাওয়ার সময়ে। আসলে বাচ্চারা তো জানে না, যে তাদের বাবা ২৪ ঘণ্টাই ডিউটি করার জন্য দায়বদ্ধ। তাই তাঁর পক্ষে শিশুটির আবেগকে গুরুত্ব দেওয়া সম্ভব নয়।