দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে হাসপাতালে। নতুন ভর্তি রোগীদের বেশিরভাগই কোভিড পজিটিভ। হাসপাতালে বেডের সংখ্যাও সীমিত। ঠাসাঠাসি ভিড় এড়াতে তাই রোগী ভর্তি নেওয়া বন্ধ করল ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যশালী ওয়েস্টন জেনারেল হাসপাতাল।
"ব্রিটেনের প্রায় সব হাসপাতালেই কোভিড রোগীদের সংখ্যা বাড়ছে। তবে এই সংখ্যার তারতম্য হয়। নতুন রোগী ভর্তিও যেমন হচ্ছে, তেমনি সংক্রমণ সারিয়ে বাড়িও ফিরে যাচ্ছে অনেকে। তবে এই মুহূর্তে আমাদের হাসপাতালে কোভিড পজিটিভ রোগীর সংখ্যা বেশি," বলেছেন ওয়েস্টন জেনারেল হাসপাতালের ডিরেক্টর ডাক্তার উইলিয়াম ওল্ডফিল্ড। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
https://twitter.com/pinccushion/status/1264914162280550401?s=20
গতকাল ২৫ মে সকাল ৮ টা (স্থানীয় সময়) থেকেই রোগী ভর্তি নেওয়া বন্ধ হয়েছে ওয়েস্টন জেনারেল হাসপাতালে। ব্রিস্টল থেকে ৩০ মাইল দূরত্বে অবস্থিত এই হাসপাতালটি পরিচালনা করে ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল ও ওয়েস্টন এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট। ডাক্তার ওল্ডফিল্ড বলেছেন, হাসপাতালে ভর্তির পরে কোনও রোগী করোনা আক্রান্ত হননি, এমনকি ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যেও কেউ ভাইরাস আক্রান্ত হননি। সুরক্ষা ব্যবস্থার ওপরে বরাবরই জোর দেওয়া হয়েছে। তাই হাসপাতালের ভেতরেও সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে আপাতত নতুন করে রোগী ভর্তি নেওয়া হবে না। তবে এই হাসপাতালের দরজা বন্ধ হলেও নতুন ভর্তি হতে আসা রোগীদের উপযুক্ত চিকিৎসার জন্য তাঁদের অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের উচ্চমানের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিরেক্টর ডাক্তার ওল্ডফিল্ড। এখন যে কোভিড রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন তাঁরা যাতে দ্রুত সুস্থ হতে পারেন সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।
জন হপকিনস ইউনিভার্সিটির রিপোর্ট অনুযায়ী ব্রিটেনে এখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৬১ হাজার পেরিয়েছে। সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা ৩৬ হাজারের বেশি। জুনের পয়লা তারিখ পর্যন্ত ব্রিটেনে লকডাউন চলবে। এমনটাই জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তবে ১ জুন থেকে শর্তসাপেক্ষে কিছু নিয়ম শিথিল করা হবে। যেমন জুনের ১ তারিখ থেকে কিছু দোকানপাট এবং পাবলিক প্লেস খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে বাইরে থেকে বিমান সফরে ব্রিটেনে আসা সকলকেই বাধ্যতামূলক ভাবে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।