দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোমবার রাত সাড়ে ১১ টা নাগাদ বিশাখাপত্তনমে এক ওষুধ কোম্পানিতে গ্যাস লিক হয়। সেখানেই দু'জন মারা যান। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আরও চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওষুধ কোম্পানির নাম সাইনর লাইফ সায়েন্সেস। বিশাখাপত্তনমের পারওয়াদা অঞ্চলে সেই কারখানা অবস্থিত।
পুলিশের উচ্চপদস্থ অফিসার উদয় কুমার জানিয়েছেন, "পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। যে দু'জন মারা গিয়েছেন, তাঁরা গ্যাস লিকের সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন। গ্যাস বেশিদূর ছড়ায়নি।" মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই এস জগন মোহন রেড্ডি ওই ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন।
দু'মাস আগেই বিশাখাপত্তনমে একটি কেমিক্যাল প্ল্যান্টে গ্যাস লিক হয়ে ১১ জন মারা যান। তাদের মধ্যে ছিল দু'টি শিশু। অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন হাজারের বেশি মানুষ। যে কারখানা থেকে গ্যাস লিক হয়েছিল, তার নাম এল জি পলিমারস।
দেশ জোড়া লকডাউনের মধ্যে ৪০ দিন বন্ধ ছিল সেই কারখানা। তার মধ্যে বিষাক্ত স্টাইরিন গ্যাস বেরোয় কারখানা থেকে। আশপাশের তিনটি গ্রাম খালি করে দেওয়া হয়। অনেকেই গ্যাসে অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন। বাড়ির দরজা ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করতে হয়।
এই ঘটনাকে ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনার সঙ্গে তুলনা করা হয়। ১৯৮৪ সালে ইউনিয়ন কার্বাইড নামে এক রাসায়নিক কারখানায় গ্যাস লিক হয়ে ৩৫০০ জন মারা গিয়েছিলেন। সরকারি হিসাবমতো অন্তত ১ লক্ষ মানুষ এখনও নানা রোগে ভুগছেন।