
শুভেন্দু অধিকারী।
শেষ আপডেট: 2 February 2025 14:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যোগেশচন্দ্র চৌধুরী আইন কলেজে সরস্বতী পুজোর প্রস্তুতিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। শুধু তাই নয়, ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এবিষয়ে মামলা গড়িয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। ওই মামলাতেই পুলিশি ঘেরাটোপে সরস্বতী পুজোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। তারপরও হুমকি রাজনীতি চলছে বলে অভিযোগ।
রবিবার সরস্বতী পুজোর দিন এ বিষয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, "এরা (তৃণমূল) রাজ্যটাকে বাংলাদেশ বানিয়ে দিয়েছে।"
নিজের বক্তব্যের সপক্ষে শুভেন্দুর ব্যাখ্যা, "বাংলাদেশের যশোরেও পুলিশ দিয়ে পুজো হচ্ছে, কলকাতার যোগেশচন্দ্র কলেজেও তাই। এরা রাজ্যটাকে বাংলাদেশ বানিয়ে দিয়েছে। সবই জিহাদি মডেল। আমরা এদের উপড়ে ফেলব।"
পাল্টা হিসেবে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম পরিস্থিতির জন্য পদ্মশিবিরকে দায়ী করে পাল্টা অভিযোগ করেছেন, "যারা বিজেপি করে, তারা অশান্তি করে।তারা ছোট মনের মানুষ। যোগেশ চন্দ্র কলেজে একটা পাকা ছেলে ওই কাজ করেছে।"
আদালতের নির্দেশে পুজো শুরু হলেও সেখানে সামনে এসেছে আমরা-ওরার ছবিটা। ল'বিভাগের পুজো হচ্ছে কলেজের ভেতরে। আর ডে বিভাগের পুজো হচ্ছে কলেজের পাশের গলিতে। অভিযোগ ডে কলেজের পাশ করা পড়ুয়ারাই ল'কলেজের পড়ুয়াদের হুমকি দিচ্ছে।
সূত্রের খবর এ ব্যাপারে যোগেশচন্দ্র কলেজ নিয়ে ইতিমধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই এদিন দুপুরে যোগেশচন্দ্র কলেজে যান ব্রাত্য। তাঁকে কাছে পেয়েই নিরাপত্তার দাবিতে সরব হন পড়ুয়ারা। এরপরই পড়ুয়াদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী।
আদালতের নির্দেশে এদিন সকাল থেকেই কলেজ চত্বরে রয়েছে পর্যাপ্ত সংখ্যক সশস্ত্র পুলিশকর্মী। আইকার্ড দেখে তবেই পড়ুয়াদের কলেজে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। আদালতের নির্দেশে গোটা পুজোর ভিডিওগ্রাফি করছে কলেজ কর্তৃপক্ষও।