Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
পদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতি

খুকরি হাতে রাষ্ট্রনেতাদের প্রহরায় গোর্খারা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কথিত আছে, খুব প্রয়োজন ছাড়া তাকে আবরণ-মুক্ত করা বারণ। তাকে ঢাকনা থেকে বার করলেই তার গায়ে রক্ত লাগাতে হবে। এমনই ঐতিহাসিক অস্ত্রের ভরসায় সিঙ্গাপুরে আসছেন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুই রাষ্ট্রনেতা। সে অস্ত্রের নাম খুকরি। কা

খুকরি হাতে রাষ্ট্রনেতাদের প্রহরায় গোর্খারা

শেষ আপডেট: 5 June 2018 11:23

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কথিত আছে, খুব প্রয়োজন ছাড়া তাকে আবরণ-মুক্ত করা বারণ। তাকে ঢাকনা থেকে বার করলেই তার গায়ে রক্ত লাগাতে হবে। এমনই ঐতিহাসিক অস্ত্রের ভরসায় সিঙ্গাপুরে আসছেন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুই রাষ্ট্রনেতা। সে অস্ত্রের নাম খুকরি। কাঠের আবরণে ঢাকা ছোট, ধাতব, ভারি, বাঁকা এই ছুরির মতো বিশেষ অস্ত্রটি নেপালের গোর্খা সম্প্রদায়ের অন্যতম পরিচিতি। বিশ্বের সেরা যোদ্ধা জনজাতির মধ্যে অন্যতম এই গোর্খা জাতির প্রতিনিধিরাই নিযুক্ত থাকবেন সিঙ্গাপুরে। সব ঠিক থাকলে, আগামী মাসে সেখানেই আয়োজিত হতে চলেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের ঐতিহাসিক সম্মেলন। সেখানে তাঁদের নিরাপত্তার আয়োজন যে খুব সাধারণ রকমের হবে না, তা বলাই বাহুল্য। সূত্রের খবর, দুই রাষ্ট্রনেতাই তাঁদের সঙ্গে ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী দল নিয়ে আসবেন। কিন্তু তার পরেও সিঙ্গাপুর সরকারের তরফে যে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তার পুরোভাগে থাকবেন এই গোর্খারা। মনে করা হচ্ছে, সে সময় সিঙ্গাপুরের পথঘাট, হোটেল ছেয়ে ফেলবেন এই রক্ষীরাই। রাইফেল, পিস্তল-সব নানা বিধ অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত থাকলেও, বিপদের মুখে এই গোর্খাদের  প্রধান ভরসা তাঁদের খুকরিই। তার ব্যতিক্রম হবে না এবারেও। সিঙ্গাপুর শহরের ভিতরে এই গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। কিন্তু গত সপ্তাহ থেকেই তাঁদের মহড়া চোখে পড়তে শুরু করেছে শহরের নানা জায়গায়। সকলেই যে সিঙ্গাপুরে বসবাসকারী তা নয়, সূত্রের খবর, নেপালের পার্বত্য অঞ্চল থেকে রীতিমতো বরাত দিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে তাঁদের। সিঙ্গাপুরের নিরাপত্তা-বিশেষজ্ঞ টিম হাক্সলে জানিয়েছেন, অত বড় মাপের দুই রাষ্ট্রনেতার নিরাপত্তার জন্য এটা সব চেয়ে ভাল ব্যবস্থা। এই মুহূর্তে সিঙ্গাপুর সেনাবাহিনীতে ১৮০০ জন গোর্খা নিযুক্ত বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা বেশ কিছু বছর ধরে যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা ও প্রতিভার প্রমাণ রাখছেন। শুধু যুদ্ধে বা সীমান্তে নয়, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্কুল, অফিস, হোটেলেও এঁরা নিযুক্ত থাকেন রক্ষী হিসেবে। শহরের বাইরে ভার্নন পাহাড় এলাকায় শিবির করে পরিবার নিয়ে থাকেন তাঁরা। সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নেই সেই এলাকায়। এখন সম্মেলনের সময় যাতে এমন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, যাতে খুকরি কাজে লাগাতে হয় গোর্খা রক্ষীদের, সেটাই এখন পাখির চোখ সিঙ্গাপুরের।

```