Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অভিষেক পত্নীকে টার্গেট করছে কমিশন! হোয়াটসঅ্যাপে চলছে নেতাদের হেনস্থার ছক? সরাসরি কমিশনকে চিঠি তৃণমূলেরIPL 2026: আজ আদৌ খেলবেন তো? ‘চোটগ্রস্ত’ বিরাটের অনুশীলনের ভিডিও দেখে ছড়াল উদ্বেগনৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?

'বিহারে সরকারটা বিজেপির, তাই পেরেছে, বাংলায় অত সোজা না', ভোটার লিস্টে এসআইআর নিয়ে যা বললেন অধীর

রাজ্যের শাসকদল বলছে, ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র চলছে। বিজেপি বলছে যা হচ্ছে ভালর জন্য হচ্ছে। সবটাই সংবিধান মোতাবেক। বাংলার ক্ষেত্রে এসআইআর বিষয়টা কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

'বিহারে সরকারটা বিজেপির, তাই পেরেছে, বাংলায় অত সোজা না', ভোটার লিস্টে এসআইআর নিয়ে যা বললেন অধীর

অধীর চৌধুরী

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 25 July 2025 16:06

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারের ভোটার তালিকায় ‘বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা’ (SIR)। যা আপাতত দেশের রাজনীতির মূল আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। ভোটমুখী বিহারে যা পরিচালনা করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। কারা প্রকৃত ভোটার, কাদের নাম তালিকায় থাকবে, তা নির্ধারিত হচ্ছে কমিশন নির্ধারিত ১১টি নথির ভিত্তিতে। রাজ্যের শাসকদল বলছে, ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র চলছে। বিজেপি বলছে যা হচ্ছে ভালর জন্য হচ্ছে। সবটাই সংবিধান মোতাবেক। বাংলার ক্ষেত্রে এসআইআর বিষয়টা কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

এ ব্যাপারে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury) বলেন, "লিস্টে যা নাম থাকে, সবাই তো আর ভোটার হন না। মৃত ব্যক্তির ভোট হয়, সেটাও আমরা জানি। কিন্তু যে পরিমাণে ভুয়ো ভোটার বের হচ্ছে...মহারাষ্ট্রের ক্ষেত্রে দেখলাম ভোট যুক্ত হল। বিহারের ক্ষেত্রে ভোট বিযুক্ত হল। মহারাষ্ট্রে হঠাৎ করে কয়েক লক্ষ ভোটার বেড়ে গেল। অস্বাভাবিকভাবে। লোকসভা ও বিধানসভা ভোটের মাঝখানে। বিহারের ক্ষেত্রে উল্টোটা। বাংলায় তো জনসংখ্যা বেড়েছে। তাহলে মহারাষ্ট্রের মতো এখানে যুক্ত হচ্ছে না কেন? নির্বাচন কমিশনকে সামনে রেখে এই যুক্ত-বিযুক্ত খেলা শুরু হয়েছে। এটা ভোটারদের ভোট কেড়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া।"

কংগ্রেস নেতা আরও বলেন, "বিহারে সরকারটা বিজেপির। বিএলও ওদের। ফলে ওখানে যেভাবে করতে পেরেছে বাংলায় নিশ্চয়ই যেভাবে করতে পারবে না বলে আমার ধারণা। কারণ বাংলায় বিএলও সরকার পক্ষের লোক। কিন্তু মানুষ সতর্ক হচ্ছে। যে হারে প্রচার চলছে তাতে মানুষের সতর্কতা বাড়ছে। তাই মানুষও চাইছে নথিপত্র ঠিক রাখতে। সমাজমাধ্যমে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। মিথ্যে অপপ্রচার হচ্ছে।"

অধীরের বক্তব্য, রাজ্যের সরকার অনেক সময় পাবে। ব্যাপারটা নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে শাসকদলকে। তাঁর কথায়, "এটা সরকারের দায়িত্ব। বাইরের রাজ্যের বাঙালিকে তথ্য দিয়ে রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। রাজ্যের তৎপরতা যত বাড়বে, তত পরিযায়ী শ্রমিকদের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা যাবে বলে আমি মনে করি। গেল গেল রব না তুলে ভোট আদায় করার চালাকি না করে মানুষকে প্রকৃত অর্থে সুরক্ষা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে।"


```