Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে সমর্থন শুভেন্দুর, বললেন 'লজিক পয়েন্ট'

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) ক্ষমতা থেকে সরানোর লক্ষ্যেই তিনি বিজেপিতে (BJP) যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু কেন্দ্র সরকার কেন কোন‌ও পদক্ষেপ করছে না, এই প্রশ্ন তুলে কার্যত বিজেপির দিল্লির নেতৃত্বের দিকেই আঙুল তুলেছিলেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ।

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে সমর্থন শুভেন্দুর, বললেন 'লজিক পয়েন্ট'

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 10 November 2025 15:06

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) ক্ষমতা থেকে সরানোর লক্ষ্যেই তিনি বিজেপিতে (BJP) যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু কেন্দ্র সরকার কেন কোন‌ও পদক্ষেপ করছে না, এই প্রশ্ন তুলে কার্যত বিজেপির দিল্লির নেতৃত্বের দিকেই আঙুল তুলেছিলেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই তুলকালাম শুরু হয়েছে রাজ্য বিজেপির অভ্যন্তরে। সেই অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে‌ই (Abhijit Ganguly) সমর্থন করতে দেখা গেল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)।

সোমবার সল্টলেকে বিজেপির দলীয় অফিসে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের করা সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শুভেন্দু অধিকারী পরিষ্কার বলেন, 'তিনি(অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়) খুব ভাল বলেছেন, লজিক পয়েন্ট বলেছেন।' ব্যস, মোটামুটি এটুকুই। কিন্তু এটুকুতেই শুভেন্দু বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনিও ঠিক কী চান।

বস্তুত, বিজেপির অন্দরে এই মুহূর্তে এটাই সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে যে সত্যিই কি বিজেপির দিল্লির নেতৃত্ব এরাজ্যে ক্ষমতা দখল করতে চায়? রাজ্য বিজেপির অনেক নেতাই আড়ালে আবডালে তমলুকের সাংসদের সুরে সুর মেলাতে চাইছেন, কিন্তু হয় তো প্রকাশ্যে বলছেন না। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এমন মন্তব্যের পর হইচই শুরু হয়ে যায় দিল্লিতেও। সূত্রের খবর, দিনকয়েক আগেই রাজ্য সদর দফতরে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করতে হয়েছিল। সেই বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ভুপেন্দ্র যাদব থেকে শুরু করে সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী সহ অনেকেই ছিলেন।

শোনা যায় সেই বৈঠকে এক পক্ষ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্যের সমালোচনা করেন ও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে মত দেন। তাঁদের মত ছিল, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে কথা বলেছেন, প্রকাশ্যে দল যদি তার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না করে তাহলে ভুল বার্তা যাবে এবং অনেকেই দল বিরোধী মন্তব্য করতে শুরু করবে। অবশ্য অপর পক্ষের মত ছিল তমলুকের সাংসদ যে কথা বলেছেন সেই কথা দলের নিচু তলার মানুষের অনেকের মনের কথা। ফলে বিধানসভা ভোটের আগে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোন‌ও ব্যবস্থা নিলে তার রেশ গিয়ে পড়বে নিচু স্তরের কর্মিদের মধ্যে। ফলে এখন‌ই অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না করে বরং ঘরোয়াভাবে তাঁর সঙ্গে কথা বলে বোঝানোই সঠিক হবে।

সূত্রের খবর, এই মতটাই শেষে প্রাধান্য পায়। তবে সোমবার শুভেন্দু অধিকারী একেবারে দলীয় কার্যালয়ে বসে যেভাবে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পক্ষে মত দিলেন, তাতে রাজ্য বিজেপি‌ই শুধু নয়, দিল্লিতেও একটা হইচই শুরু হল বলে।


```