
শেষ আপডেট: 29 January 2024 15:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। খারিজ করা হল বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের নির্দেশ। ২০২২ সালের প্রাথমিক মামলায় শীর্ষ আদালত যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ফলে ১১,৭৬৫ জনের চাকরির নিয়োগে আর বাধা রইল না।
প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্যানেল প্রকাশের ওপর স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরির জন্য বিএড ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারবেন না। প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য ডিএলএড পাশ আবশ্যক। তবে ২০১৪ সালের সময় এই বিষয়টি বাধ্যতামূলক ছিল না। তবে পরবর্তীকালে জটিলতা তৈরি হয়।
এই কারণে ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণরা ২০২০ সালে ডিএলএড কোর্সে ভর্তি হন। এরপর ২০২২ সালের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময়ে সেই সব চাকরিপ্রার্থীরা মার্কশিট হাতে পাননি। পরবর্তীকালে সেই সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা চাকরিতে সুযোগ পাবেন কী না, এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছিল। তারপর ২০২২ সালের নিয়োগ প্যানেলে স্থগিতাদেশ জারি হয়।
সোমবার এই স্থগিতাদেশের সিদ্ধান্তই প্রত্যাহার করে নিল সুপ্রিম কোর্ট। ফলে প্যানেল প্রকাশে আর কোনও বাধা থাকছে না।
রাজ্য আগে জানিয়েছিল, ১১,৭৬৫ জনের চাকরির নিয়োগ পত্র প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ তুলে দিলেই চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগের কাজ শুরু করবে রাজ্য সরকার। প্রাথমিক শিক্ষক পদের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে কাউন্সেলিং, ইন্টারভিউ সমস্ত কিছুই সম্পন্ন হয়ে আছে। কিন্তু মামলা চলার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়নি। তবে এদিন স্থগিতাদেশ উঠে যাওয়ার পরও আদৌ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।