কংগ্রেস নেতাদের হাত থেকে বাঁচান, পুলিশের কাছে আর্জি কর্ণাটকের বিদ্রোহী বিধায়কদের
দ্য ওয়াল ব্যুরো : কংগ্রেস নেতারা আমাদের সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন। তাঁদের হাত থেকে আমাদের বাঁচান। কর্ণাটকের ১৪ জন বিদ্রোহী বিধায়ক এই মর্মে চিঠি লিখেছেন মুম্বই পুলিশের কাছে। স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেওয়ার পরই তাঁরা চলে গিয়েছেন মুম্বইয়ে
শেষ আপডেট: 15 July 2019 05:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো : কংগ্রেস নেতারা আমাদের সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন। তাঁদের হাত থেকে আমাদের বাঁচান। কর্ণাটকের ১৪ জন বিদ্রোহী বিধায়ক এই মর্মে চিঠি লিখেছেন মুম্বই পুলিশের কাছে। স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেওয়ার পরই তাঁরা চলে গিয়েছেন মুম্বইয়ে। সেখানে রেনেসাঁস নামে পাঁচতারা এক হোটেলে আছেন। একটি সূত্রে খবর, কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং কর্ণাটকের উপ মুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বর সোমবারই হোটেলে গিয়ে বিদ্রোহীদের সঙ্গে দেখা করতে চান।
কর্ণাটকে শাসক কংগ্রেস-জেডি এস জোটের ১৬ জন বিধায়ক ইতিমধ্যে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। ফলে এইচ ডি কুমারস্বামী সরকারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। স্পিকার কে রমেশ কুমার অবশ্য এখনও ইস্তফা গ্রহণ করেননি। বিদ্রোহীরা সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ করেছেন, স্পিকার কংগ্রেস সরকারকে নিজেদের ঘর গুছিয়ে নেওয়ার সময় দিচ্ছেন।
মুম্বই পুলিশকে বিদ্রোহী বিধায়করা চিঠিতে লিখেছেন, আমরা মল্লিকার্জুন খাড়গে বা গুলাম নবি আজাদের মতো কংগ্রেস নেতার সঙ্গে দেখা করতে চাই না। আমরা মনে করি, তাঁরা আমাদের গুরুতর বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারেন।

কর্ণাটক বা মহারাষ্ট্রের অপর কোনও কংগ্রেস নেতাও যাতে তাঁদের সঙ্গে দেখা না করতে পারেন, সেজন্য বিদ্রোহীরা আদালতে আবেদন জানিয়েছেন।
গত সপ্তাহে কর্ণাটক কংগ্রেসের নেতা ডি কে শিবকুমার রেনেসাঁস হোটেলে ঢুকতে চেষ্টা করেন। কিন্তু মুম্বই পুলিশ তাঁকে বাধা দেয়। তিনি বলেন, হোটেলে তাঁর কয়েকজন বন্ধু রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে গল্প করার জন্য তিনি হোটেলে ঢুকতে চান। তাতেও পুলিশ তাঁকে ঢুকতে দেয়নি। কংগ্রেসের ট্রাবল শুটার বলে পরিচিত শিবকুমার তখন হোটেলের বাইরে বসে পড়েন। পাঁচ ঘণ্টা বসে থাকার পরে পুলিশ তাঁকে আটক করে। শিবকুমারকে সোজা এয়ারপোর্টে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে চড়িয়ে দেওয়া হয় বেঙ্গালুরুগামী বিমানে।
এদিন যাঁরা কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে মুম্বই পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে আছেন এম টি বি নাগরাজ। তাঁর সঙ্গে কুমারস্বামী এবং কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়ার কথা হয়েছিল। নাগরাজ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তিনি কংগ্রেসে ফিরতে পারেন। কিন্তু রবিবার তিনি বেঙ্গালুরুতে হ্যালের বিমান বন্দর থেকে একটি বেসরকারি বিমানে চড়ে মুম্বইতে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কর্ণাটকের বিজেপি প্রধান বি এস ইয়েদুরাপ্পার ব্যক্তিগত সহকারী সন্তোষ।