
শুভেন্দু অধিকারী ও রেখা পাত্র।
শেষ আপডেট: 31 December 2024 16:48
দ্য ওয়াল ব্য়ুরো: তিনিই সন্দেশখালি আন্দোলনের অন্যতম মুখ। কর্ণখালি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুজয় মণ্ডলকে দেখেই রাজনীতির ময়দানে প্রবেশ সন্দেশখালির বধূ রেখা পাত্র। লোকসভায় বিজেপির টিকিটে বসিরহাট থেকে প্রার্থীও হয়েছিলেন।
সোমবার সন্দেশখালিতে মুখ্যমন্ত্রীর সভার আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন রেখা পাত্রর সেই রাজনৈতিক গুরু সুজয় মাস্টার। অদূর ভবিষ্যতে কি রেখাও একই পথে হাঁটবেন? সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর সভায় সুজয়ের উপস্থিতির পর থেকেই বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্দেশখালিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভা থেকে যার জবাব দিলেন বিজেপির লোকসভার প্রার্থী তথা সন্দেশখালির বাসিন্দা রেখা পাত্র।
এদিন রেখা বলেন, "জীবন দেব, তবু কখনও তৃণমূলে যোগ দেব না।" সুজয় মাস্টারকে নিজের রাজনৈতিক গুরু হিসেবেও মানতে চাননি রেখা। তিনি বলেন, "আমার রাজনৈতিক গুরু সুজয় নয়, শুভেন্দু দাদা।"
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে টানা কয়েক মাস উত্তপ্ত ছিল সন্দেশখালি। বছরের শেষে সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর সফর এবং তারপরেই বিরোধী দলনেতা পাল্টা কর্মসূচির ঘোষণা করেছিলেন। এদিন সন্দেশখালি থেকে নানা বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু।
তাকে সমর্থন জানিয়ে রেখা বলেন, "নতুন করে আবার ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। তবে ভয় পেলে হবে না,
সন্দেশখালি মা বোনেরা যেন মুখ্যমন্ত্রীর কথায় কান না দিয়ে আন্দোলন করে যান, ভুল পথে চালিত হবেন না।"
একই সঙ্গে সন্দেশখালির অভিযুক্তরা একে একে ছাড়া পেয়ে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন রেখা। তাঁর কথায়, "উত্তম সরদার, ফারুক আকুঞ্জি, মাহফুজার মোল্লা একে একে সবাই ছাড়া পাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় সংস্থা কী করছে?"
এবারের লোকসভা ভোটে বসিরহাট থেকে রেখা পাত্রকে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। দল চাইলে তিনি বিধানসভাতেও যে সন্দেশখালি থেকে লড়তে প্রস্তুত, এদিন পরোক্ষে তাও স্পষ্ট করেছেন। রেখার কথায়, "দল চাইলে লড়ব।"