রাজ্যের ২২ তম রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন আর এন রবি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, সিপিএম নেতা বিমান বসু সহ প্রমুখরা।

আর এন রবি
শেষ আপডেট: 12 March 2026 13:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল (West Bengal Governor) হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি (R N Ravi)। লোকভবনে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। রাজ্যের ২২ তম রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন আর এন রবি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু সহ প্রমুখরা।
রাজ্যের বিধানসভা ভোটের (West Bengal Elections 2026) আগে গত ৫ মার্চ আচমকাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল (West Bengal Governor) পদ থেকে হঠাৎ ইস্তফা দেন সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তারপরই জানা যায়, আপাতত বাংলার রাজ্যপালের দায়িত্ব সামলাবেন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল (Tamilnadu Governor) তথা প্রাক্তন আইপিএস আর এন রবি (R N Rabi)।
কে এই আর এন রবি
দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি কেন্দ্রীয় মহলে পরিচিত এক মুখ আর এন রবি। তাঁর পুরো নাম - রবীন্দ্র নারায়ণ রবি, জন্ম ৩ এপ্রিল ১৯৫২। ২০২১ সাল থেকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল ছিলেন তিনি।
এর আগে তিনি নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল (২০১৯–২০২১) ছিলেন এবং মেঘালয়ের রাজ্যপাল (অতিরিক্ত দায়িত্বে) (২০১৯–২০২০) হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন রবি।
১৯৭৬ ব্যাচের কেরল ক্যাডারের একজন আইপিএস আর এন রবি। একটা সময় তিনি ভারতের ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া নাগা শান্তি আলোচনায় (সেপ্টেম্বর ২০১৪ থেকে মার্চ ২০২২ পর্যন্ত) ভারতের সরকারের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন।
নতুন রাজ্যপালের নাম সামনে আসতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা না করেই নতুন রাজ্যপাল ঠিক করেছে কেন্দ্র। পরবর্তী সময় আর এন রবিকে উদ্দেশ্য করে 'বিজেপির ক্যাডার' বলেও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ছিল, “নতুন যিনি আসছেন, তিনি বিজেপির প্যারেড করা ক্যাডার। জেনে রাখুন, বাংলা কিন্তু অন্য জায়গা।” তামিলনাড়ুর প্রসঙ্গ টেনে তিনি মনে করিয়ে দেন, সেখানেও মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিনকে একইভাবে ব্যতিব্যস্ত হতে হয়েছে।