
শেষ আপডেট: 15 May 2023 07:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সপ্তাহান্তের মধ্যরাত। বাইপাসের উপর গাড়িঘোড়া বিশেষ নেই বললেই চলে। যে কটিও বা আছে, দুরন্ত গতিতে বেরিয়ে যাচ্ছে সেগুলি। তারমধ্যেই কালো বিলাসবহুল একটি গাড়ি দেখে দাঁড় করায় পুলিশ। উদ্দেশ্য, নাকা চেকিং। টোকা দিতেই কাচ নামান চালক। সঙ্গে সঙ্গে নাকে আসে মদের তীব্র গন্ধ। পিছনের সিটে তখন ঈষৎ টালমাটাল অবস্থায় বসে এক মহিলা। পুলিশ দেখেই ঝাঁঝিয়ে ওঠেন তিনি। গাড়ি তো কোনও নিয়ম ভাঙেনি, তাও দাঁড় করানো হল কেন? সেসব প্রশ্নকে পাশ কাটিয়ে চেকিং শেষ করেই গাড়ি ছেড়ে দেয় পুলিশ। এই ঘটনার দিন দুই এক বাদেই পুলিশের গ্রিভান্স সেলে জমা পড়ে অভিযোগ (grievance cell)। যার সারমর্ম হল, রাত্রিবেলা গাড়ি থামিয়ে চেকিংয়ের সময় তাঁকে 'হেনস্থা' করেছে পুলিশ। তাঁর দিকে নাকি 'অশ্লীল' দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিলেন অফিসাররা। অভিযোগ পেয়ে তো হতবাক পুলিশ (naka checking at night not necessary)!
ঘটনাটি সপ্তাহখানেক আগের। সপ্তাহান্তের মধ্যরাতে হাইল্যান্ড পার্কের কাছে নাকা চেকিংয়ের জন্য মধ্যবয়সি এক মহিলার গাড়ি দাঁড় করায় পুলিশ। রুটিন তল্লাশিতে সাহায্য করার জন্য চালককে অনুরোধ জানানো হয়। এতেই ভয়ানক খেপে ওঠেন পিছনে আসনে বসা কেতাদুরস্ত এক মহিলা। পুলিশকে তাঁর প্রশ্ন, 'আমার গাড়ি তো সিগনাল ভাঙেনি, জোরেও দৌড়াচ্ছিল না। তাহলে খামোখা চেকিং কীসের!'
স্বভাবতই এমন প্রশ্নের মুখে হতবাক হয়ে যান অফিসাররা। বুঝতে পারেন, মহিলার কথাবার্তা সামান্য অসংলগ্ন। তাই বেশি কথা না বাড়িয়ে রুটিন তল্লাশি সেরেই ছেড়ে দেওয়া হয় গাড়িটিকে। কিন্তু সেই ঘটনার দু'দিন পরেই পুলিশের গ্রিভান্স সেলে অভিযোগ দায়ের করেন মহিলা। তাঁর দাবি, রাতের কলকাতায় পুলিশি তল্লাশির কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন তিনি। তাঁর আরও অভিযোগ, কর্তব্যরত অফিসাররা লোলুপ, অশ্লীল দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিলেন তাঁর দিকে।
এরপরেই মহিলার সঙ্গে কথা বলার জন্য পুলিশের তরফে ফোন করা হয় তাঁর কাছে। তখনও নিজের দাবি থেকে সরেননি মহিলা। 'পুলিশ হ্যারাস করেছে,' সাফ জানিয়ে দেন তিনি।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। তাঁদের পাল্টা দাবি, গাড়ি আটকানোর জেরেই বিরক্ত হয়ে এমন অদ্ভুত অভিযোগ করেছেন মহিলা।
ফুটবল খেলতে স্পেনে চলল তেহট্টর তরুণ! রাত জেগে বিড়ি বেঁধে খেলা-পাগল ছেলেকে বড় করেছেন একলা মা