
শেষ আপডেট: 1 March 2024 08:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার দু'দিনের সফরে বাংলায় আসছেন। শুক্রবার প্রথম দিন তার সরকারি এবং দলীয় দুই কর্মসূচিই রয়েছে। হুগলির আরামবাগে অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন।
সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোট ৭২০০ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করবেন। আরামবাগেই বিকেল তিনটের পর তিনি বিজেপির জনসভায় ভাষণ দেবেন। রাতে রাজভবনে কাটিয়ে শনিবার তিনি যাবেন কৃষ্ণনগরে। সেখানে সভা করে বিহার হয়ে দিল্লি ফিরবেন।
প্রধানমন্ত্রীর শুক্রবারের পূর্ব নির্ধারিত জনসভা এমন সময় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে যখন রাজ্য রাজনীতিতে সন্দেশখালি নিয়ে তোলপাড় চলছে। বৃহস্পতিবারই সন্দেশখালি কাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানকে পুলিশ গ্রেফতার করে। স্বভাবতই রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছে আরামবাগ থেকে প্রধানমন্ত্রী সন্দেশখালি নিয়ে নজিরবিহীন আক্রমণ শোনাবেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনকে।
প্রধানমন্ত্রীর ফের বঙ্গ সফরে আসার কথা ৬ মার্চ। সেদিন বারাসতে জনসভার ফাঁকে সন্দেশখালির নির্যাতিতা মহিলাদের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হতে পারে। বিজেপি নেতৃত্ব প্রশাসনের সঙ্গে এই সাক্ষাতের বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
শুক্রবার দিল্লি থেকে প্রধানমন্ত্রীর বিমান দুর্গাপুরের অন্ডালে অবতরণ করবে। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে তার আরামবাগে আসার কথা। শনিবার কৃষ্ণনগরের সভা করে তিনি চলে যাবেন বিহারে। ওই রাজ্যে নীতীশ কুমার ফের বিজেপি হাত ধরার পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী ওই রাজ্য সফরে যাচ্ছেন। নীতিশের সঙ্গে ইতিমধ্যে তাঁর দিল্লিতে দেখা হয়েছে। শনিবার বিহারে এক মঞ্চ দেখা যাবে দুই নেতাকে
বিজেপি এবার বাংলায় লোকসভার ৪২টি আসনের মধ্যে ৩৫টি টার্গেট করেছে, সন্দেশখালি ঘটনাকে হাতিয়ার করে তারা মনে করছে এই লক্ষ পূরণ সম্ভব। সেই কারণেই ইস্যু তাজা থাকতেই প্রধানমন্ত্রীর সফরের ব্যাপারে উদ্যোগী হয় বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। সন্দেশখালীর কথা বিবেচনায় রেখেই প্রধানমন্ত্রী সভাস্থল হিসেবে বারাসতকে বেছে নেওয়া হয়েছে। একই উদ্দেশে শুক্রবার থেকে কারণে টানা দুদিন রাজ্যে দুই সভা করবেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রীর দুই সভা লোকসভার লড়াইয়ে আমাদের অনেক এগিয়ে দেবে।'