Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদের

করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির পরে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বললেন দিল্লির ব্যবসায়ী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নভেল করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই বলে জানিয়ে দিলেন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা দিল্লির ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী। রবিবার তিনি সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। দিল্লির সফদরজং হাসপাতালের পরিকাঠামোর প্রশংসা করেছেন

করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির পরে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বললেন দিল্লির ব্যবসায়ী

শেষ আপডেট: 16 March 2020 04:08

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নভেল করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই বলে জানিয়ে দিলেন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা দিল্লির ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী। রবিবার তিনি সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। দিল্লির সফদরজং হাসপাতালের পরিকাঠামোর প্রশংসা করেছেন ওই ব্যক্তি। গত দু’সপ্তাহ ধরে এই হাসপাতালেই তিনি ভর্তি ছিলেন। একটি সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, “আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। এটা সাধারণ জ্বর ছাড়া অন্য কিছু নয়। যদি কোনও স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি ডাক্তারের কাছে যান তা হলে অসুবিধা নেই, আমাদের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো বেশ ভাল, বিশ্বের অন্যতম সেরা। আইসোলেশন ওয়ার্ড মানে আলো-হাওয়া ছাড়া দুই বাই দুই কুঠুরি নয়।” দু’জন রোগীকে ছেড়ে দিয়েছে হাসপাতাল তবে তাঁদের আগামী চোদ্দো দিন বাড়ি থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ওই দু’জনের মধ্যে একজন হলেন এই ব্যবসায়ী। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে ওই ব্যবসায়ী বলেন, “২৫ ফেব্রুয়ারি আমি ইউরোপ থেকে ফিরি। পরের দিনই জ্বরে পড়ি। আমি এতজন ডাক্তারের কাছে গেলে উনি বলেন যে গলায় ইনফেকশন হয়েছে। উনি আমাকে তিন দিনের ওষুধ দেন। আমি ২৮ তারিখে সেরে উঠি। ২৯ তারিখ আবার জ্বরে পড়ি। তখন আমি রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালে যাই। ১ মার্চ দেখা যায় আমার করোনাভাইরাস সংক্রমণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “সত্যি কথা বলতে কী যখন ওঁরা বললেন যে আমার করোনাভাইরাস সংক্রমণ হয়েছে তখন খুবই চিন্তায় পড়ে যাই। পরের দিন একদল ডাক্তার আমাকে দেখতে এলেন সফদরজং হাসপাতালে যেখানে আমাকে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁরাই আমাকে অভয় দিয়ে বললেন যে এই রোগ সেরে যায়। তাঁরা বললেন -- আপনি স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি এবং এটি ঠান্ডা লাগা ও জ্বর ছাড়া অন্য কিছু নয়। সাধারণ জ্বর-সর্দিতে যে সময় লাগে এতে চার চেয়ে একটু বেশি সময় লাগে।” পরে তিনি বলেন, “আমি কোনও ডাক্তার নই তবে বলতে পারি যে সাধারণ জ্বর-সর্দির চেয়ে এটি আলাদা। আমি সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। দেশের সরকার এই হাসপাতালেই করোনা আক্রান্তদের রাখছে। এখানে পরিকাঠামো ও সুযোগসুবিধা খুবই ভাল। বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে তুলনা করেই বলছি যে এটা সেরা হাসপাতাল। আমাকে বাথরুম-সহ একটা আলাদা ঘর দেওয়া হয়েছিল।” দিল্লিতে যে সাত জনের করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলিছে তার মধ্যে এই ব্যক্তিও রয়েছেন। দিল্লির স্বাস্থ্য দফতর একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে যে এখনও পর্যন্ত দুজন সিওভিআইডি-১৯ আক্রান্তকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয়েছে। রবিবার পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১১০ হয়েছে।

```