
শেষ আপডেট: 4 October 2023 19:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর: বাইকে রওনা দিয়েছিলেন উত্তর সিকিমের উদ্দেশে। মঙ্গলবার রাতে লাচুংয়ে পৌঁছে পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল শেষবার। বুধবার কাকভোরে যাওয়ার কথা ছিল গুরুদোংমার। কিন্তু বুধবার সকাল থেকেই আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না তিন যুবকের সঙ্গে। টিভিতে সিকিমের প্রাকৃতিক দুর্যোগের খবর নজরে আসতেই আতঁকে ওঠেন যুবকদের পরিবার। তাহলে কি কোনও বিপদ হল? উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন বাবা-মায়েরা।
রাতভর মেঘভাঙা বৃষ্টি, হড়পা বান-- ফুঁসছে তিস্তার জল। ভেসে গিয়েছে সিকিমের একের পর এক গ্রাম। ধ্বংসস্তূপের আকার নিতে শুরু করেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। এখনও পর্যন্ত কতজন পর্যটক নিখোঁজ সে বিষয়ে সঠিক তথ্য নেই। আর এরই মধ্যে মিলেছে সিকিমে বেড়াতে গিয়ে রায়গঞ্জের দুই ভাই সহ তিন যুবকের নিঁখোজের খবর। নিখোঁজদের মধ্যে দু’জন রায়গঞ্জ শহরের উকিলপাড়ার এবং আরেকজন রাঁচির বাসিন্দা। রায়গঞ্জের বছর তেইশের যুবক স্বর্ণদীপ মজুমদার, তাঁর দাদা শ্রীকান্ত মজুমদার ও তাঁদের বন্ধু রাঁচির বাসিন্দা ঈশান নামে এক যুবকের বুধবার সকাল থেকেই কোনও খোঁজ মিলছে না।
নিখোঁজ যুবকদের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ থেকে শনিবার বাইকে করে উত্তর সিকিমের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তিন যুবক। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টা নাগাদ পরিবারের সঙ্গে তাঁদের শেষবার কথা হয়। এরপর বুধবার ভোরেই বিপর্যয় নেমে আসে সিকিমের বিস্তীর্ণ এলাকায়। সেই খবর জানার পরই এদিন সকাল থেকে যুবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকে তাঁদের পরিবার। কিন্তু কোনওভাবেই মোবাইলে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বর্ণদীপের বাবা-মা।
সিকিমের বিপর্যয়ের খবর সকালেই টিভিতে দেখেছেন স্বর্ণদীপের মা। এরপরই বারবার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু সবসময়ই ফোন ‘নট রিচেবল’ শোনায়। আতঙ্কিত স্বর্নদীপের বাবা ইতিমধ্যেই রায়গঞ্জ থানার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ যুবকদের খোঁজ শুরু করেছে।