দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর: অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এক মুড়ি ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা চালাল দুষ্কৃতীরা। মঙ্গলবার রাতের এই ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায় চাকুলিয়া থানা এলাকার বালিগুড়ি গ্রামে।
তবে হামলাকারীরা কোনও লুঠপাট করেনি বলে জানা গেছে। দুষ্কৃতীদের পিস্তলের বাঁটের আঘাতে গুরুতর জখম হন মুড়ি ব্যবসায়ী শঙ্কর মণ্ডল। তাকে চাকুলিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে চাকুলিয়া থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি ৭.৬২ বোরের অত্যাধুনিক পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ।
এই ঘটনায় যতটা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে চাকুলিয়া এলাকায়, ততটাই রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে কেন আচমকা আততায়ীরা ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা চালাল? কারণ ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে কোনও টাকা পয়সা বা অন্য জিনিস খোয়া যায়নি। ডাকাতি করতে যে দুষ্কৃতীরা আসেনি সে ব্যাপারে পুলিশ একরকম নিশ্চিত। স্বাভাবিকভাবেই প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ আধিকারিকরা পুরোনো কোনও শত্রুতার জেরে এই হামলা হয়েছে কি না সেই প্রশ্নের জবাব খুঁজছেন। পাশাপাশি সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরে এমন কাণ্ড ঘটল কি না সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছে চাকুলিয়া থানার পুলিশ।
যদিও ব্যবসায়ী শঙ্কর মণ্ডল জানিয়েছেন, দুষ্কৃতীরা এসে তাঁর কাছে মোটা টাকা দাবি করে। তিনি বলেন, আচমকা ঘরে ঢুকে আমার কাছে টাকা দাবি করে ওরা। না দেওয়াতেই আমার উপর চড়াও হয়। পিস্তলের বাট দিয়ে মারধর করে। আহত ব্যবসায়ীর ছেলে মানব বলে, ‘‘দুজন বন্দুক নিয়ে আমাদের ঘরে ঢুকে পড়ে। বাবাকে মারধর করছিল। বাবাও পাল্টা মারলে বন্দুক ফেলে রেখেই পালিয়ে যায় তারা।’’
পরিবারের লোকেদের বয়ানে অসঙ্গতি পাচ্ছে পুলিশ। থানার আধিকারিকরা জানান, পুরো ঘটনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।