
শেষ আপডেট: 6 August 2022 11:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার চলছে দেশের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Vice-Presidential Election)। এই নির্বাচনে ভোটদান থেকে বিরত থাকবে তৃণমূল, সেই কথা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, জগদীপ ধনকরকে সমর্থন করার প্রশ্নই ওঠে না। আর বিরোধীরা যেভাবে প্রার্থী নির্বাচন করেছে তা একেবারেই ঠিক নয়। তাই ভোটদান থেকে বিরত থাকবে তৃণমূল।
এই সিদ্ধান্তে অনড় তৃণমূল, সেই কথাই দলীয় সাংসদদের চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন লোকসভায় সংসদীয় নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Banerjee)। অন্যান্য সাংসদদের মতো কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী ও তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীকেও চিঠি দেন সুদীপ। কিন্তু সেই চিঠিকে তোয়াক্কা না করেই এদিন দিল্লি গিয়ে ভোট দিয়ে এলেন শিশির-দিব্যেন্দু (Sisir-Dibendu)।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগেও শিশির-দিব্যেন্দুকে নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল। প্রশ্ন উঠেছিল, তাঁরা কাকে ভোট দেবেন। সেই সময় 'দ্য ওয়াল'-ই প্রথম ব্রেক করেছিল খবরটা। দিব্যেন্দু দ্য ওয়ালকে জানিয়েছিলেন যে, তিনি বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকেই ভোট দেবেন। শিশিরও জানিয়েছিলেন, নেত্রীর কথা অনুযায়ীই ভোট দেবেন।
কিন্তু তার পরেও তাঁদের নিয়ে সংশয় দেখিয়েছিল রাজ্যের শাসক দল। দলের অনেকেই বলেছিলেন, যদি এতই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন, তো দিল্লি গিয়ে কেন দিচ্ছেন। অন্যান্য বিধায়ক সাংসদদের মতো বাংলার বিধানসভায় এসে ভোট দিক। কিন্তু শিশির-দিব্যেন্দু সেই সময় দিল্লি গিয়ে ভোট দেন। যেহেতু এই নির্বাচন গোপন ব্যালটে হয়, তাই কে কাকে ভোট দিল তা জানা যায় না। তবে স্পষ্ট বাংলা থেকে বেশকিছু ক্রস ভোটিং হয়েছে।
দেশের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন হচ্ছে শনিবার। এনডিএ, বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে প্রার্থী করেছে। বিরোধীরা প্রবীণ কংগ্রেস নেত্রী মার্গারেট আলভাকে প্রার্থী করেন। সেই নির্বাচনে দল কাকে সমর্থন করবে, তা নিয়ে প্রথমে মুখ খোলেননি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা দলের কেউই। যদিও পরে বৈঠক করে দলের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক। কিন্তু এদিনের নির্বাচনে উল্টো স্রোতে গা ভাসালেন শিশির-দিব্যেন্দু।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে কাকে ভোট দিলেন পিতা-পুত্র? রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূল যেহেতু এই নির্বাচনে কাউকেই সমর্থন করেনি, তাহলে শিশির-দিব্যেন্দু নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু সেই পছন্দের তালিকায় কে ছিলেন? জগদীপ ধনকড় না মার্গারেট আলভা? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শিশির দিব্যেন্দুর পছন্দে থাকবেন ধনকড়ই। কারণ, বেশ কয়েকদিন ধরেই বেসুরো ছিলেন শিশির-দিব্যেন্দু। দলের মধ্যে থেকেও দলের বিরুদ্ধে কথা বলতে শোনা গেছে। যা নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি।
অমর্ত্য সেন রাজনৈতিক আদর্শের উপরে উঠতে পারছেন না, সাফাই দিতে গিয়েও সমালোচনা বাবুলের