শেষ আপডেট: 12 September 2020 12:43
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতিতা ১৩ বছরের ওই কিশোরী ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী। তারা তিন বোন এক ভাই।হতদরিদ্র পরিবারের ঐ কিশোরীর বাবা মা দুজনেই জনমজুরি করেন। কিশোরীর দাদা স্থানীয় এক ধান ব্যবসায়ীর কাছে মুটের কাজ করেন।
অন্যদিকে অভিযুক্ত বাপি মির্ধা এলাকায় মৃৎশিল্পী হিসাবে পরিচিত। বাপি বিবাহিত,তাঁর এক সন্তানও রয়েছে।নির্যাতিতা কিশোরীর পরিবার বাপির প্রতিবেশী।
কিশোরীর মায়ের অভিযোগ, শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মেয়ে দাদাকে ডাকতে বটগ্রাম ক্যানেলপুলের পাশ দিয়ে যখন যাচ্ছিল তখন বাপি মির্ধা তাকে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে রাস্তার ধারের একটি দরজা খোলা কামারশালায় নিয়ে যায়। সেখানেই ওই স্কুলপড়ুয়া মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। কিশোরীর চিৎকার শুনে ওই এলাকার এক প্রতিবেশী ছুটে যান কামারশালায়। ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনি কালবিলম্ব না করে ওই কিশোরীর মাকে ডেকে আনেন।
কিশোরীর মা জানান তাকে দেখেই বাপি ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এরপর শুক্রবার রাতেই স্থানীয় গুসকরা থানায় বাপি মির্ধার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ জানান ওই স্কুলপড়ুয়া কিশোরীর মা।
অভিযোগ পেয়ে সময় নষ্ট না করে তদন্তে নামে গুসকরা থানার ডিউটিরত পুলিশ অফিসারের। শুক্রবার রাতেই ওই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত বাপি মির্ধাকে।