
শেষ আপডেট: 25 November 2022 13:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ডাকখামে ও ডাকটিকিটে এবার মাহেশের রথযাত্রা (Rathayatra of Mahesh)। বাংলার এই হেরিটেজকে নিয়ে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে ডাক বিভাগ। মাহেশের ইতিহাস বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে বিশেষ ডাকখাম (Postal Card) চালু করল তারা।
পুরীর পরে ভারতের দ্বিতীয় প্রাচীন রথযাত্রা মাহেশ। প্রায় ৬২৬ বছর আগে জগন্নাথের রথের চাকা ঘুরেছিল মাহেশে। ডাকখামের তথ্য বলছে ১৩৯৬ সালে সূচনা হয় এই রথযাত্রার।
ভারতীয় ডাকঘরের চিফ পোস্ট মাস্টার জেনারেল ওয়েস্ট বেঙ্গল সার্কেল এই বিশেষ ডাকখাম প্রকাশের ছাড়পত্র দেওয়ার পর শ্রীরামপুর ডাকঘর ও পুরসভার উদ্যোগে ডাকখাম প্রকাশের ব্যবস্থা করে।
বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে বার্তা চন্দ্রিমার, উনি বললেই তৃণমূলের প্রতীক বাতিল হয়ে যাবে না
শ্রীরামপুর ডাকঘরের সুপারিন্টেন্ডেন্ট তপন চক্রবর্তী জানান, 'ডাক বিভাগ বিভিন্ন বিষয়, দ্রষ্টব্য স্থানের উপর ডাক টিকিট বের করে। মাহেশের রথ এবং জগন্নাথ মন্দির বহু প্রাচীন। অথচ বাংলার বাইরে মানুষ তেমনভাবে বিষয়টি সম্পর্কে জানেন না। ডাক বিভাগের লক্ষ্য হল দেশ এবং বিদেশে মাহেশের রথের ইতিহাস ছড়িয়ে দেওয়া। এমন অনেকেই আছেন যাঁরা ডাক টিকিট সংগ্রহ করেন। তারা এটা সংগ্রহ করবেন। তাঁদের মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়বে বাংলার এই ইতিহাস।
শুক্রবার মাহেশ মন্দিরে এই ডাকটিকিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাহেশ জগন্নাথ মন্দিরের প্রধান সেবাইত সৌমেন অধিকারী, শ্রীরামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান গিরিধারী সাহা, চাঁপদানীর বিধায়ক অরিন্দম গুঁইন।
অনুষ্ঠানে মাহেশ জগন্নাথ মন্দিরের সেবাইত পিয়াল অধিকারী বলেন, 'মাহেশ মন্দির, জগন্নাথ দেব ও রথের স্পেশাল কভার পোস্টকার্ড,স্ট্যাম্প উদ্বোধন হল, এটা খুবই গর্বের।'
শ্রীরামপুর চেয়ারম্যান বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রীর চেষ্টায় মাহেশের রথযাত্রা হেরিটেজ হয়েছে এবং মাহেশ হয়ে উঠেছে পর্যটন কেন্দ্র হয়েছে। আমরা চাই গোটা বিশ্বের মানুষ জানুক মাহেশ সম্পর্কে। আরও বেশি করে লোক আসুক। প্রচার হোক ঐতিহাসিক এই স্থানের।
ডাকখামে মাহেশের রথযাত্রা সম্পর্কে হিন্দি ও ইংরেজিতে সংক্ষিপ্তভাবে লেখা হয়েছে। যার কাছে এই খাম যাবে, সে যাতে মাহেশের রথ সম্পর্কে জানতে পারে। মাহেশে জগন্নাথ প্রতিষ্ঠা ও রথযাত্রার পেছনে একটি ঐতিহাসিক কাহিনি রয়েছে।