শেষ আপডেট: 26 May 2020 14:13
আগামী কাল, বুধবার সুতাহাটা, দেশপ্রাণ ও হলদিয়া ব্লকে ত্রিপল বিলি করা হবে। টানা কয়েকদিন ধরে এই কর্মসূচি চলবে বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, আর্থিক ভাবে অতি গরিব পরিবারগুলিকে পাঁচ দিনের রেশন সামগ্রী দিচ্ছেন মন্ত্রী। সেইসঙ্গে এখনও ত্রাণ শিবিরে থাকা প্রায় আট হাজার মানুষকে রান্না করা খাবার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার থেকেই কবলিত এলাকাগুলি চষে বেরিয়েছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম, খেজুরিতে গিয়ে ঝড় কবলিত মানুষের হাতে নিজে হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দিয়েছিলেন মন্ত্রী। সেইসঙ্গে উমফানে পূর্ব মেদিনীপুরের যে ছ'জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের পরিবারের হাতে সতীশ সামন্ত মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে দু'লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণও দেন তিনি।
জেলায় শাসক দলের একাংশ নেতা বলেন, উমফানে দুই চব্বিশ পরগনার পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরেও প্রবল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একই ভাবে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে হলদিয়া শিল্পাঞ্চলেও। কিন্তু নবান্নর তরফে পূর্ব মেদিনীপুরের কথা বিশেষ বলা হচ্ছে না। এর কারণ ঠিক কী তা বোধগম্য নয়। তবে হতেই পারে সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রীর নিজের জেলা বলেই ধরে নেওয়া হয়েছে যে এখানে উনিই যথেষ্ট। বাস্তবেও তাই হচ্ছে।
শুভেন্দুবাবু গত সপ্তাহেই জানিয়েছিলেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় প্রভূত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেক কাঁচা বাড়ি মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে সাইক্লোন। সরকার সমীক্ষা করে ক্ষয়ক্ষতির হিসেব করবে ঠিকই কিন্তু ততদিন অপেক্ষা করা যাবে না। মাথার ছাদ চলে যাওয়া অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। সেই কাজ এখন চলছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা অনুগামীরা।