সন্ময়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়, সংরক্ষিত করতে হবে থানার সিসিটিভি ফুটেজ, নির্দেশ হাইকোর্টের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কংগ্রেস মুখপাত্র সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেই মামলায় পুলিশ আপাতত কোনও ব্যবস্থা নিতে পারবে না বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে
শেষ আপডেট: 3 December 2019 08:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কংগ্রেস মুখপাত্র সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেই মামলায় পুলিশ আপাতত কোনও ব্যবস্থা নিতে পারবে না বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে উঠেছিল এই মামলা। সেখানে আদালত স্পষ্ট বলে দিয়েছে, পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত সন্ময়বাবুর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারবে না প্রশাসন।
গত ১৭ অক্টোবর রাতে খড়দহ থানার আগরপাড়া ইলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে সন্ময়বাবুকে আটক করে পুলিশ। সন্ময় অভিযোগ করেছিলেন, ওই রাতে থানায় তাঁর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছিল পুলিশ। এদিন হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, ওই রাতে থানার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত করে তা আদালতে জমা দিতে হবে। সন্ময়বাবুর আইনজীবী আকাশদীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, “এদিনের নির্দেশেই স্পষ্ট, সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়কে আসলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছিল।”
পুরুলিয়ার সাইবার ক্রাইম থানায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন আইনজীবী তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের পুরুলিয়া জেলার কার্যকরি সভাপতি প্রণব দেওঘরিয়া। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কুরুচিকর ও ভিত্তিহীন বক্তব্যের অভিযোগ আনা হয় সন্ময়বাবুর বিরুদ্ধে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা বাংলার শাসক দলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে গত কয়েক মাস ধরে ঝাঁঝালো সমালোচনা করছিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি ইউটিউব চ্যানেলও খুলেছিলেন তিনি। সেখানে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সন্ময়বাবু শাসক দলের ধারাবাহিক সমালোচনায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করার জন্য এর আগে সন্ময়বাবুর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল নন্দীগ্রাম থানায়। শুভেন্দুবাবুর এক অনুরাগী সেই মামলা করেছিলেন। কিন্তু ওই ঘটনায় সন্ময়বাবু উকিলের মাধ্যমে চিঠি দিয়ে পরিবহণমন্ত্রীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে নেন। তারপর নন্দীগ্রামে দায়ের করা মামলাটি নিয়ে সন্ময়বাবুকে পুলিশ আর হেনস্থা করেনি বলেই খবর।