Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিংয়ে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দ

এক সপ্তাহে জালবন্দি ৩৫০০ টন ইলিশ, স্বস্তিতে বাংলার মৎস্যজীবীরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্ষার শুরু থেকেই রাজ্যে ইলিশের আমদানি হলেও তা চাহিদার থেকে অনেক কম ছিল। যোগান কম হওয়ার সঙ্গেই ইলিশের ওজনও ছিল অনেক কম। তার ফলে মাত্রাছাড়া দাম হচ্ছিল রুপোলি ফসলের। সমস্যায় পড়েছিলেন মৎস্যজীবীরাও। কিন্তু গত কয়েক দিনে রাজ্যে ই

এক সপ্তাহে জালবন্দি ৩৫০০ টন ইলিশ, স্বস্তিতে বাংলার মৎস্যজীবীরা

শেষ আপডেট: 5 September 2020 04:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্ষার শুরু থেকেই রাজ্যে ইলিশের আমদানি হলেও তা চাহিদার থেকে অনেক কম ছিল। যোগান কম হওয়ার সঙ্গেই ইলিশের ওজনও ছিল অনেক কম। তার ফলে মাত্রাছাড়া দাম হচ্ছিল রুপোলি ফসলের। সমস্যায় পড়েছিলেন মৎস্যজীবীরাও। কিন্তু গত কয়েক দিনে রাজ্যে ইলিশের যোগান ভাল হচ্ছে। জানা গিয়েছে, গত এক সপ্তাহে জালবন্দি হয়েছে প্রায় ৩৫০০ টন ইলিশ। ইতিমধ্যে সমুদ্র থেকে ফেরাও শুরু করেছে ট্রলারগুলি। মৎস্যজীবীরা জানিয়েছেন, বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকে ক্রমাগত নিম্নচাপ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে সমস্যা হচ্ছিল ইলিশ ধরায়। মরসুমের বেশিরভাগটাই চাহিদার থেকে যোগান কম হয়েছে। ফলে বাজারে ইলিশের আমদানি আশানুরূপ হয়নি। যাও বা হয়েছে, দাম চড়া থাকায় বিক্রি কম হয়েছে। এর ফলে ব্যাপক লোকসানের আশঙ্কা দেখা দেয়। কিন্তু গত এক সপ্তাহে সমুদ্রে যত ইলিশ ধরা পড়েছে তাতে কিছুটা হলেও লাভের মুখ দেখবেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এই বিষয়ে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনাইটেড ফিশারমেন অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সহ-সম্পাদক বিজন মাইতি জানিয়েছেন, গত ২৮ অগস্ট সমুদ্র গিয়েছে সাড়ে পাঁচ হাজারেরও বেশি ট্রলার। মূলত দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর থেকে সমুদ্রে গিয়েছে এই ট্রলারগুলি। এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে গত এক সপ্তাহে প্রায় ৩৫০০ টন ইলিশ জালবন্দি হয়েছে। ইতিমধ্যেই ফিরে এসেছে অনেক ট্রলার। বাকি ট্রলারগুলিও দু’একদিনের মধ্যেই ফিরে আসবে। ইলিশের আমদানিতে হাসি ফুটেছে মৎস্যজীবীদের মুখে। তাঁদের বক্তব্য, মরা কোটালে ইলিশের দেখা মিলেছে মানে আগামী কয়েক দিনেও ইলিশ ভালই পাওয়া যাবে। শুধু তাই নয়, এই সময়ে জালবন্দি ইলিশের ওজনও আগের থেকে ভাল বলেই জানা গিয়েছে। ৬০০ থেকে শুরু করে এক কেজির উপরের ইলিশ পাওয়া গিয়েছে ভালই। এখনও পর্যন্ত যে ইলিশগুলি এসে পৌঁছেছে তা রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কলকাতার বাজারগুলিতে এখনও ইলিশের দাম চড়া। তার কারণ হল দিঘা, কাকদ্বীপ, ডায়মন্ড হারবারের পাইকারি বাজারেও ইলিশের চড়া দাম। এখনও ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ইলিশ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে পাইকারি বাজারে। এক কেজির বেশি দামের ইলিশের দাম দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত উঠছে। ফলে খুচরো বাজারে দাম আরও বাড়ছে। তবে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে যা ইলিশ জালবন্দি হয়েছে তা বাজারে পৌঁছে গেলে ঘাটতি অনেকটাই কমবে। ফলে পাইকারি ও খুচরো বাজারে দাম কিছুটা কমবে। ফলে ইলিশের বিক্রি বাড়বে। এর ফলে মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ীরা মরসুমের শেষে ইলিশের জিন্য কিছুটা লাভের মুখ দেখবেন বলেই আশা করা হচ্ছে। এখন কত তাড়াতাড়ি রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে ইলিশের যোগান দেওয়া যায়, সেই চেষ্টা চলছে।

```