Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অভিষেক পত্নীকে টার্গেট করছে কমিশন! হোয়াটসঅ্যাপে চলছে নেতাদের হেনস্থার ছক? সরাসরি কমিশনকে চিঠি তৃণমূলেরIPL 2026: আজ আদৌ খেলবেন তো? ‘চোটগ্রস্ত’ বিরাটের অনুশীলনের ভিডিও দেখে ছড়াল উদ্বেগনৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?

ভোট নেই, তবু বাম-কংগ্রেসের ট্রেড ইউনিয়নের ডাকে উপচে গেল ধর্মতলা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোট বাক্সে রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছিল সেই ২০০৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে। কিন্তু সদ্য অনুষ্ঠিত তিন বিধানসভায় বাম-কংগ্রেস জোট বেঁধে লড়ার পরও যে ভোট এসেছে তা দেখে অনেকেই বলেছেন, এখন আর ব্যাপারটা রক্তক্ষরণে আটকে নেই। এটা এখন রক্

ভোট নেই, তবু বাম-কংগ্রেসের ট্রেড ইউনিয়নের ডাকে উপচে গেল ধর্মতলা

শেষ আপডেট: 11 December 2019 09:08

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোট বাক্সে রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছিল সেই ২০০৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে। কিন্তু সদ্য অনুষ্ঠিত তিন বিধানসভায় বাম-কংগ্রেস জোট বেঁধে লড়ার পরও যে ভোট এসেছে তা দেখে অনেকেই বলেছেন, এখন আর ব্যাপারটা রক্তক্ষরণে আটকে নেই। এটা এখন রক্তশূন্যতার পর্যায়ে চলে গিয়েছে। কিন্তু বুধবার সেই বাম-কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের ডাকে সমাবেশে কার্যত জনজোয়ার বইল কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে। শ্রমিক-কর্মচারীদের ১২ দফা দাবিতে গত ৩০ নভেম্বর পশ্চিম বর্ধমানের চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ কারখানার গেট থেকে শুরু হয়েছিল ‘শ্রমিক লংমার্চ।’ ১২ দিন দুই বর্ধমান, হুগলি এবং হাওড়া জেলার ২৮৩ কিলোমিটার পত অতিক্রম করে এদিন কেন্দ্রীয় সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয় কর্মসূচি। আর তাতেই উপচে গেল ধর্মতলা। ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত বাম-কংগ্রেস নেতৃত্ব। গত দু’বছর নাসিক থেকে মুম্বই পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের কৃষক লংমার্চ সাড়া ফেলেছিল গোটা দেশে। আন্দোলনের চাপে কৃষকদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিল মহারাষ্ট্রের তৎকালীন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ সরকার। মহারাষ্ট্রের সেই কিষাণ লংমার্চকে মডেল করেই বাংলায় কর্মসূচি নিয়েছিল বামেরা। তাতে যুক্ত হয়েছে কংগ্রেসও। রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের বিলগ্নিকরণ, সরকারি সংস্থার বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশনগুলি। হাওড়া থেকে এদিন মূল লংমার্চ শুরু হয়। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে হাওড়া ব্রিজ। লং মার্চের সমর্থনে কলকাতার যাদবপুর, শ্যামবাজার, শিয়ালদহ, খিদিরপুর, পার্কসার্কাস-সহ একাধিক জায়গা থেকে মিছিল আসতে থাকে ধর্মতলার দিকে। বাম-কংগ্রেস ট্রেড ইউনিয়ন নেতাদের বক্তব্য, দেশের সরকার ধর্মীর জিগির তুলে মানুষকে ভুলিয়ে রেখে শ্রমিক-কর্মচারীদের পেটে লাথি মারতে চাইছে। মানুষের দাবিগুলিকে নিয়েই তাই আবার আন্দোলনের পথে নামতে চাইছেন তাঁরা। বাম-কংগ্রেস নেতাদের নিশানায় বাংলার তৃণমূল সরকারও। তাঁদের বক্তব্য, বিজেপিকে বাংলার মাটিতে হাত ধরে জায়গা করে দিয়েছে বাংলার শাসকদলই। লোক দেখানো বিরোধিতা করলেও, আসলে তলায় তলায় তৃণমূল-বিজেপির বোঝাপড়া রয়েছে। বিজেপি যদিও এই সমাবেশকে ‘ফ্লপ শো’ বলেছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেন, “দুটো দলই বাংলায় সাইনবোর্ডে পরিণত হয়েছে। ফলে ওদের মিটিংয়ে কে এল আর কে না এল তা নিয়ে সাধারণ মানুষের কোনও মাথা ব্যথা নেই।”

```