দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশজোড়া লকডাউনের মধ্যেই বাসন্তীপুজো, অন্নপূর্ণা পুজো ও রামনবমী। কোথাও কোনও জমায়েত নেই। এর মধ্যেই পড়েছে চৈতি ছট মানে চৈত্র মাসের ছট পুজো।
বাসন্তী দুর্গাপুজো বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে আসানসোলের বিভিন্ন পুজোকমিটি। আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি পুর এলাকার বাসিন্দাদের অনুরোধ করেছিলেন যে যাঁরা চৈতী ছট ব্রত করেন তাঁরা যেন দলবদ্ধ হয়ে পুকুর বা নদীতে না যান। তার বদলে বাড়িতে গামলার জলে ব্রত উদযাপন করতে অনুরোধ করেন।
দেশজোড়া লকডাউন ও মেয়রের অনুরোধ উপেক্ষা করেই অনেকে কাল্লার কাছে নদীতে ছট ঘাটে ছটপুজো করেন। অন্য বছরের তুলনায় ভিড় একেবারেই ছিল না। তবে এই জমায়েতও করা উচিত হয়নি বলে মনে করছেন বেশিরভাগ লোকই।
চৈতি ছটপুজোর সময় লোকে নাকি প্রার্থনা করেছে যে সারা পৃথিবী যাতে করোনার প্রকোপ থেকে মুক্ত হয়। সমস্যা হল অল্প সংখ্যায় হলেও তাঁরা জমায়েত করেছেন যা করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। করোনার কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ এখনও নেই এবং এর টিকাও নেই। তাই এই ভাইরাসের সংক্রমণ রোখার একমাত্র উপায় হল যেকোনও ভাবে জমায়েত বন্ধ করা।
মঙ্গলবার সকালে শুধু এরাজ্যেই নতুন করে তিন জনের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মৃত্যু হয়েছে এক জনের। এখনও লোকে সচেতন না হলে করোনা আটকানো যে মুশকিল হয়ে যাবে সেকথা অনেকেই বুঝতে পারছেন না।