Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিংয়ে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দ

তৃণমূল হুইপ দিয়েও অর্ধেক এমএলএ আনতে পারেনি বিধানসভায়, আস্থা ভোট হলে হেরে যেত: মান্নান

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রের কৃষি আইন বিলোপের দাবিতে প্রস্তাব গ্রহণের জন্য বৃহস্পতিবার বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। সেই প্রস্তাবের সংশোধন প্রস্তাবে যখন ভোটাভুটি হল, দেখা গেল ১৪৮ জনের অনেক কম তৃণমূল বিধায়ক অংশ নিয়েছেন তাতে। এদিন তা

তৃণমূল হুইপ দিয়েও অর্ধেক এমএলএ আনতে পারেনি বিধানসভায়, আস্থা ভোট হলে হেরে যেত: মান্নান

শেষ আপডেট: 28 January 2021 15:37

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রের কৃষি আইন বিলোপের দাবিতে প্রস্তাব গ্রহণের জন্য বৃহস্পতিবার বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। সেই প্রস্তাবের সংশোধন প্রস্তাবে যখন ভোটাভুটি হল, দেখা গেল ১৪৮ জনের অনেক কম তৃণমূল বিধায়ক অংশ নিয়েছেন তাতে। এদিন তা নিয়েই তৃণমূলকে খোঁচা দিল বাম কংগ্রেস। অধিবেশনের শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান বলেন, তৃণমূল নাকি হুইপ জারি করেছিল বিধায়কদের উদ্দেশে। তার পরেও ম্যাজিক নাম্বার তথা ১৪৮ জন বিধায়ককে আনতে পারল না বিধানসভায়। তাঁর কথায়, একদিনের জন্য অধিবেশন বসেছে। কৃষি আইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু তার পরেও তৃণমূল পারল না। কেন এলেন না বাকি বিধায়করা। কেন অনেক বিধায়ক বিধানসভাতে এসেও ভোটাভুটিতে অংশ নিলেন না? তাঁদের কিছু বলার ক্ষমতাও নেই মুখ্যমন্ত্রীর। বিরোধী দলনেতা বলেন, এই করুণ দশা দেখেই মুখ্যমন্ত্রী নিজেও লজ্জায় বিধানসভায় বেশিক্ষণ থাকেননি। কারণ, আস্থা ভোট হলে আজই হেরে যেত সরকার। একই কথা বলেছেন, বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীও। তাঁদের এও বক্তব্য, তৃণমূল মুখে কৃষকদের প্রতি দরদ দেখালেও আদতে যে তা ফাঁপা এতেই তা পরিষ্কার। কারণ, কৃষি আইন বিলোপের দাবিতে বিশেষ অধিবেশনেও লজ্জাজনক ভাবে শাসক দলের গরিষ্ঠসংখ্যক বিধায়ক অনুপস্থিত থাকলেন। বস্তুত মান্নান সাহেবরা অনেক দিন ধরে এই বার্তা দিতে চাইছেন যে তৃণমূলে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। তৃণমূলের সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কই নেই। আস্থা ভোট হলে দেখা যাবে, সরকার সংখ্যালঘু হয়ে গেছে। তাঁর দাবি ছিল, অন্তত একশ জন তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে সামিল হবেন। তা যদিও এখনও হয়নি। আগামী ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি ফের দুদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ। সেদিন কয়েক জন বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দেবে বলে খবর। মান্নান সাহেবের এ কথার জবাবে এদিন পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, যাঁরা বিধানসভায় থেকেও ভিতরে যাননি তাঁদের কাছে কৈফিয়ত চাওয়া হবে। সেই সঙ্গে তৃণমূলের বক্তব্য, সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দূর দূর থেকে সংকটের কোনও প্রশ্নই নেই।

```