দ্য ওয়াল ব্যুরো: সকাল থেকে রণক্ষেত্র ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের কেশপুর। সেখানকার বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষকে ঘিরে একাধিক জায়গায় দফায় দফায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। চলেছে গুলিও। এরই মধ্যে দাবদাহের দুপুরে ঘাটালের একটি বুথে দাঁড়িয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষ দেব ভারতীর উদ্দেশে কুল থাকার পরামর্শ দিয়ে দিলেন।
তাঁর কথায়, “গরম বেশি পড়েছে। মাথা ঠান্ডা রাখুন। ভাল থাকুন।” সৌজন্যের রাজনীতিতে যে তিনি বিশ্বাস করেন, প্রথম দিন থেকেই তার দৃষ্টান্ত রেখেছেন। কিন্তু এ দিন যেন অন্য দেব। সৌজন্যের অভাব ছিল না কখনই। কিন্তু গলায় যেন অন্য চ্যালেঞ্জ। দীপক অধিকারীর কথায়, “ভারতীদেবীকে বলব, উত্তেজিত হবেন না। উত্তেজনা ছড়াবেন না।” সেই সঙ্গে গতবারের সাংসদ বলেন, “ভালবাসা দিয়ে ভোট পেতে হয়। ভয় দেখিয়ে নয়। উনি পুলিশকে চমাকাচ্ছেন। বলছেন বাইরে থেকে ছেলে নিয়ে আসব। এ ভাবে ভোট হয় না!” কটাক্ষের সুরে বলেন, “কেউ কেউ তো ১০-১৫ গাড়ির কনভয় নিয়ে ঘুরছেন। আমি তো একা ঘুরছি।”
কেশপুরের দোগাছিয়ায় ভারতীকে ঘিরে তৃণমূলকর্মীদের বিক্ষোভ ভয়াবহ আকার নেয় রবিবার বেলা এগারোটা নাগাদ। ভারতীর কনভয়ের একাধিক গাড়ি ইটবৃষ্টিতে চুরমার হয়ে যায়। নিরাপত্তারক্ষীরা গুলি চালান। তৃণমূলের এক নেতার অভিযোগ তাদের এক কর্মী ওই গুলিতে আহত হয়েছেন। বিকেলে তাঁর বাড়িতেও দেখা করতে যান দেব।
সকাল থেকে যেখানেই গিয়েছেন ভারতী, সেখানেই অশান্তি হয়েছে। অনুমতি না থাকার জন্য ভারতীর গাড়ি আটক করে নেয় পুলিশ। কেশপুর কালী মন্দিরে ধর্ণায় বসেন প্রাক্তন পুলিশ সুপার। সেখানেও ইটবৃষ্টি হয়। পাঁচিল টপকে কেশপুর থানায় গিয়ে আশ্রয় নিতে হয় ঘাটালের বিজেপি প্রার্থীকে। কিন্তু দেবের কথায়, সারাদিন মাথা গরম করেছেন ভারতী। যেটা এই গরমে একেবারেই ঠিক না।