অনেক হয়েছে, কেন্দ্র-রাজ্য লড়াই থামান, নারদ মামলায় মন্তব্য হাইকোর্টের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নারদ মামলায় (Narada Case) মন্ত্রী, বিধায়কদের গ্রেফতার ও ডাকা নিয়ে ইডি ও সিবিআইকে নোটিস দিয়েছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছিল দুই তদন্ত এজেন্সি। এদিন সেই মামলার নিষ্পত্তি
শেষ আপডেট: 8 October 2021 09:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নারদ মামলায় (Narada Case) মন্ত্রী, বিধায়কদের গ্রেফতার ও ডাকা নিয়ে ইডি ও সিবিআইকে নোটিস দিয়েছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছিল দুই তদন্ত এজেন্সি। এদিন সেই মামলার নিষ্পত্তি ঘোষণা করল হাইকোর্ট। তবে কেন্দ্র রাজ্য লড়াই নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ।
এদিন আদালত বলেছে, “অনেক অনেক হয়েছে এবার থামুন।রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে বলছি অনেক হয়েছে। এবার লড়াই থামান। রাজ্যের উন্নতির দিকে লক্ষ্য রেখে আপনারা এই লড়াই বন্ধ করুন। আমি মামলার নিষ্পত্তি ঘোষণা করছি।”
নারদ কাণ্ডে চার বিধায়ককে গ্রেফতারি সংক্রান্ত মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডিকে আর বিধানসভায় হাজিরা দিতে হবে না বলে বৃহস্পতিবার শুনানিতে জানিয়েছিলেন বিচারপতি মান্থার। এদিন মামলারই নিশপত্তি ঘোষণা করল আদালত। অনেকের মতে, নৈতিক জয় হল ইডি ও সিবিআইয়ের।
এতদিন নারদ মামলায় বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের তলব এড়িয়েই চলছিল দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডি। স্পিকারের ঘন ঘন তলবের বিরুদ্ধে নালিশ জানাতে কলকাতার হাইকোর্টের দ্বরস্থও হয়েছিল সিবিআই ও ইডি। আদালত এ ব্যাপারে জানিয়েছিল, কোনও রকম নির্দেশ দেওয়ার আগে অতি দ্রুত বিধানসভার অধ্যক্ষের সঙ্গে একবার দেখা করতেই হবে নারদ মামলায় তদন্তকারী সিবিআই আধিকারিকদের। গত ৪ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশ পাওয়ার পরেই তড়িঘড়ি বিধানসভার অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করতে ছোটেন সিবিআই ও ইডির আধিকারিকরা।
নারদ মামলায় অভিযুক্তরা যেহেতু রাজ্যে মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধি, তাই সরাসরি তাঁদের নোটিস না পাঠিয়ে বিধানসভার স্পিকারের মারফৎ ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিধানসভার স্পিকারের যুক্তি, প্রিভেনশন অফ কোরাপশন আইন ১৯ (১) অনুসারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করতে গেলে বিধানসভার স্পিকারের অনুমোদন নেওয়ার দরকার হয়। সেটা নেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, বিধানসভাকে বাদ দিয়ে অনুমোদন নিয়ে আসা হচ্ছে যা সঠিক নয়। জনপ্রতিনিধিদের চার্জশিট দেওয়ার ক্ষেত্রে যে আইন রয়েছে, সিবিআই ও ইডি তা লঙ্ঘন করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। কেন এমন করা হল তা জানতে চেয়ে সিবিআই ও ইডি দু’পক্ষকেই তলব করে বিধানসভা কর্তৃপক্ষ। এই মামলায় অ্যাডভোকেট জেনারেল এদিন বলেছেন, সিবিআই বা ইডির তরফে কোনও সমন পাঠানো হয়নি। শুধু বিধানসভার স্পিকারকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাতে বিচারপতি রাজশেখর মান্থা বলেন, যেহেতু নোটিস পাঠানো হয়েছে তাই বিধানসভার অধ্যক্ষের সঙ্গে বারে বারে দেখা করার কোনও দরকার নেই সিবিআই ও ইডির।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'