
শেষ আপডেট: 8 May 2023 06:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার মাঝরাতে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল বর্ধমান স্টেশন (Burdwan Station) চত্বর। সশস্ত্র দুষ্কৃতী দল লাঠি-রড, তলোয়ার নিয়ে মারামারি, ভাঙচুর চালিয়েছে বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে খবর, স্টেশন লাগোয়া এলাকায় প্রায় ১০-১২টি দোকানে ভাঙচুর ও লুঠপাট চালায়। কয়েকটি গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে খবর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল গভীর রাতে বর্ধমান স্টেশন চত্বরে দুষ্কৃতীরা চড়াও হয়। দোকান ও একাধিক গাড়িতে তারা ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, রবিবার রাত ১২টা নাগাদ লাঠি, বাঁশ, ধারালো অস্ত্র নিয়ে স্টেশন চত্বরে তুলকালাম শুরু করে আততায়ীরা।
স্টেশন সংলগ্ন দোকান, ট্যাক্সি স্ট্যান্ড, পার্কিং এলাকায় ভাঙচুর চালাতে থাকে আততায়ীরা। মারধর শুরু করে দেয় মানুষজনকে। স্টেশন চত্বরে দোকান আছে শেখ আলাউদ্দিনের। তিনি বলেন, একদল দুষ্কৃতী স্টেশন চত্বরে ঢুকে তাণ্ডব করছিল। দোকানগুলো ভেঙে ফেলছিল। বাধা দিতে গিয়ে তিন জন জখম হন। আলাউদ্দিনের দাবি, ওই দুষ্কৃতীরা বিধায়ক খোকন দাস ও প্রাক্তন আইএনটিটি ইউসির সভাপতি শেখ ইফতিকার আহমেদের নামে অশ্রাব্য গালিগালাজ করছিল। তাদর সকলের হাতে রড, তলোয়ার ছিল। সেই তলোয়ার দিয়ে লোকজনকে ভয় দেখাচ্ছিল তারা। সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে বর্ধমান থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মোদীর দত্তক গ্রাম কুস্তিগিরদের পাশে, ‘রাজধর্ম’ পালনের বার্তা প্রধানমন্ত্রীকে
ঘটনা প্রসঙ্গে শেখ ইফতিকার আহমেদ বলেন, "এখানে কোনও কিছু নিয়ে অশান্তি হয়নি। কারও সঙ্গে ঝামেলা হয়নি। তবুও রাতে কয়েকজন দুষ্কৃতী এসে এখানে অশান্তি করে। গাড়ি ভাঙচুর করে,টাকাপয়সা লুঠপাট করে। তাদের হাতে ছিল রড,লাঠি,বন্দুক,টাঙি সহ ধারালো অস্ত্র। আমরা বর্ধমান থানার আইসিকে বলেছি। হামলাকারীরা সবাই আগে সিপিএম করত। ২০২১ সালে ওরা বিজেপিতে যায়। ওরা সবাই লোহা, কয়লা চুরি করে।"
যদিও ঘটনাকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলেই দাবি করেছেন জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র। তিনি বলেছেন, "এসব তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে এলাকা দখলের লড়াই। এর বাইরে আর কিছু নয়। কিন্তু সমস্যা হল সাধারণ মানুষ বিপদে পড়ছে।"