বৈঠকে এলেন না দুমকার কালেক্টর, বাঁধ রঙ বিতর্কে নয়া মোড়
দ্য ওয়াল ব্যুরো : ময়ূরাক্ষী নদীর উপর ম্যাসাঞ্জোর ( মশানজোড় ) বাঁধ রঙ করা নিয়ে ঝাড়খণ্ড ও বাংলার মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতর অব্যাহত। জট কাটাতে সোমবার দুই রাজ্যের মধ্যে প্রশাসনিক স্তরে বৈঠক ডাকা হলেও শ্রাবণী মেলায় ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে বৈঠকে এ
শেষ আপডেট: 6 August 2018 10:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো : ময়ূরাক্ষী নদীর উপর ম্যাসাঞ্জোর ( মশানজোড় ) বাঁধ রঙ করা নিয়ে ঝাড়খণ্ড ও বাংলার মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতর অব্যাহত। জট কাটাতে সোমবার দুই রাজ্যের মধ্যে প্রশাসনিক স্তরে বৈঠক ডাকা হলেও শ্রাবণী মেলায় ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে বৈঠকে এলেন না দুমকার জেলা কালেক্টর।
এ দিন সকালে নির্ধারিত সময়েই বীরভূম জেলা থেকে অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) রঞ্জন কুমার ঝাঁ এবং সেচ দফতরের ময়ূরাক্ষী ডিভিশনের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার কিংশুক মণ্ডল দুমকা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করতে যান। কিন্তু খালি হাতেই ফিরতে হয় তাঁদের। কারণ বৈঠকে আসেননি দুমকা জেলার কালেক্টর মুকেশ কুমার। ঝাড়খণ্ডে শ্রাবণী মেলার জন্য তিনি ব্যস্ত বলে জানিয়েছেন। আগামী বুধবার বৈঠক হবে বলে জানা গেছে।

প্রশাসনিক ভাবে বাংলার সেচ দফতরই এই বাঁধ দেখভাল করে। কিন্তু সেই বাঁধের গায়ে নীল-সাদা রঙের প্রলেপ পড়তেই শুরু হয় তুমুল অশান্তি। সম্প্রতি ম্যাসাঞ্জোর বাঁধের বৈদ্যুতিকরণ, সেখানে কর্মীদের জন্য আবাসন নির্মাণ ও মেরামতের জন্য ১ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করেছে নবান্ন। সেচ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আবাসনে রঙের কাজ শেষ হওয়ার পরেই শুরু হয় বাঁধ রঙ করার কাজ। কিন্তু অর্ধেক রঙ করা হতে না হতেই আসে বাধা।
গত সপ্তাহেই বিজেপি-র দুমকা জেলার নেতারা সেচ দফতরের অ্যাসিসট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারকে জানান নীল সাদা রঙে তাঁদের আপত্তি রয়েছে। ফলে আপাতত বন্ধ রয়েছে বাঁধ রঙ করার কাজ।
এই চাপানউতর চলাকালীনই রবিবার বিতর্কিত মন্তব্য করে আগুনে ঘৃতাহুতি দেন ঝাড়খণ্ডের সমাজকল্যাণমন্ত্রী লুইস মারান্ডি। ওই দিন ম্যাসাঞ্জোরে এসে রীতিমতো হুমকির সুরে তিনি বলেন, “এই বাঁধের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকালে তাঁর চোখ উপড়ে নেওয়া হবে।“
এই পরিস্থিতিতেই সোমবার সমস্যা সমাধানের জন্য ডাকা বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় গোটা সংঘাত অন্য মাত্রা পেল।