Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদের

রাজ্যে প্রথম নতুন আইনে মা-বাবার কোল পেল মালদহ হোমের দুই কন্যা

দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদহ: একজনের বয়স ন'মাস, অন্যজনের বছর দুয়েক। জন্মের পরে পরিবারের স্নেহ-মমতার ঘেরাটোপ পায়নি দুজনের কেউই। তাদের ঠিকানা ছিল মালদহ (Malda) জেলা সমাজকল্যাণ দফতরের অধীনে থাকা হোম। দফতরের কর্মী-আধিকারিকরাই ছিলেন তাদের আপনজন। শনিব

রাজ্যে প্রথম নতুন আইনে মা-বাবার কোল পেল মালদহ হোমের দুই কন্যা

শেষ আপডেট: 10 December 2022 10:22

দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদহ: একজনের বয়স ন'মাস, অন্যজনের বছর দুয়েক। জন্মের পরে পরিবারের স্নেহ-মমতার ঘেরাটোপ পায়নি দুজনের কেউই। তাদের ঠিকানা ছিল মালদহ (Malda) জেলা সমাজকল্যাণ দফতরের অধীনে থাকা হোম। দফতরের কর্মী-আধিকারিকরাই ছিলেন তাদের আপনজন। শনিবার থেকে বদলে গেল দুই শিশুর ঠিকানা। মা-বাবা পেল দুজনেই। পেল পরিবার। সন্তানহীন দুই দম্পতি দত্তক নিল তাদের (2 children got adopted)।

এতদিন আদালতে আবেদনের মাধ্যমে শিশু দত্তক নেওয়ার নিয়ম ছিল। এখন জেলাশাসকের নির্দেশেই শিশু দত্তক নেওয়া যাবে। চালু হওয়া এই নতুন আইনে রাজ্যে প্রথম এই দুই শিশুকে দত্তক দেওয়া হল।

নানা সামাজিক বা অন্য কারণে বহুক্ষেত্রে সদ্যোজাতকে হাসপাতালে বা রাস্তায় ফেলে নিখোঁজ হয়ে যান মা। খোঁজ পাওয়া যায় না পরিবারেরও। সেই সব শিশুদের সমাজকল্যাণ দফতরের আধিকারিকেরা সরকারি হোমে রেখে যত্ন করে বড় করে। পাশাপাশি অনাথ এই শিশুদের জন্য নতুন পরিবারের খোঁজও চলতে থাকে। সন্তানহীন দম্পতিরা যদি এই সব শিশুদের দত্তক নিতে আগ্রহী হয়, তবে সরকারি নিয়ম মেনেই তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় শিশুদের। তখন মা বাবার হাত ধরে নিজের আশ্রয়ে চলে যায় খুদেরা।

জানা গেছে, গত ১০ বছরে মালদহ জেলায় এমন ১৫৬ জন শিশুকে মা ও বাবা ও পরিবার খুঁজে দিয়েছেন জেলার সমাজকল্যাণ দফতরের আধিকারিকরা। মালদহের জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া বলেন, “সমাজকল্যাণ দফতরের আধিকারিকদের সঠিক পরিকল্পনা, ইচ্ছা ও সক্রিয় ভূমিকার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। হোম থেকে বাবা-মায়ের আশ্রয়ে যেতে পারছে শিশুরা।”

শনিবার এই দুটি শিশুকে পরিবার দিতে পেরে দারুণ খুশি সমাজকল্যাণ দফতরের আধিকারিকরা। অন্যদিকে মা আর বাবা ডাক শুনতে পাওয়ার আশায় খুশিতে মুখ ঝলমল করছে সন্তান নিতে আসা দম্পতিদেরও।

পরীক্ষায় মিথ্যে নকলের অভিযোগ এনেছিল বান্ধবী! লজ্জায় 'আত্মঘাতী' জলপাইগুড়ির ছাত্রী


```