
শেষ আপডেট: 7 August 2018 09:10
মহম্মদ জহিদুল ওরফে কওসর[/caption]
এনআইএ সোমবার বেঙ্গালুরুর রামনগর থেকে গ্রেফতার করে কওসরকে। তার ঘাঁটি থেকে বেশ কিছু ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ও বিস্ফোরক উদ্ধার করেন গোয়েন্দারা। ভারতে জেএমবি জঙ্গিদের মাথা কৌসরই। খাগড়াগড়-কাণ্ড তো বটেই, বাংলাদেশেও একাধিক মামলায় তাকে খুঁজছে পুলিশ। এ ছাড়া, বোধগয়ায় নাশকতার চেষ্টার পিছনেও সে-ই মূল চাঁই। তার নির্দেশেই বোধগয়ায় জেএমবি-র আর এক জঙ্গি মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে শাহিন বিস্ফোরক জমা করেছিল।
কওসর অনেকগুলি নাম ব্যবহার করে। সে জেএমবি মহলে মুন্না, মিজ়ান ও বোমা মিয়াঁ নামেও পরিচিত। বেঙ্গালুরুর এনআইএ-র বিশেষ আদালতে তাকে তোলা হলে আদালত তাকে পাঁচদিনের ট্রানজিট রিমান্ড দিয়েছে। তদন্তের কারণে তাকে পাটনায় নিয়ে যাওয়া হবে।
২০১৪ সালের ২ অক্টোবর দুপুরে বর্ধমানের খাগড়াগড়ে একটি বাড়িতে শক্তিশালী বিস্ফোরণ হয়। বাড়ির মালিক নুরুল হাসান চৌধুরী তৃণমূলের স্থানীয় নেতা। তবে তিনি তাঁর বাড়ি ভাড়া দিয়েছিলেন নদিয়ার বাসিন্দা শাকিল আহমেদকে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শাকিল। পরে মারা যায় দ্বিতীয় জঙ্গি সোভান মণ্ডল। তৃতীয় জঙ্গি আবদুল হাকিম গুরুতর আহত হয়। পুলিশ শাকিল ও আবদুলের দুই স্ত্রীকে গ্রেফতার করে। ওই বাড়ি থেকে প্রচুর বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির মালমশলা উদ্ধার হয়। পরের দিন ৩ অক্টোবরই দিল্লি থেকে উড়ে আসে কেন্দ্রীয় এজেন্সি এনআইএ। জানা যায়, ওই ছকের সঙ্গে জেএমবি জড়িত। কলকাতায় সেই বছর দুর্গাপুজোয় একাধিক বিস্ফোরণ ঘটানোর মতলব ছিল তাদের।