
শেষ আপডেট: 11 March 2024 19:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: ধূপগুড়ি মহকুমা উপনির্বাচনে তাঁর উপর আস্থা রেখে নিরাশ হয়নি তৃণমূল। লোকসভা নির্বাচনেও এবার নির্মল চন্দ্র রায়ের উপর ভরসা রাখল শাসকদল। জলপাইগুড়ি থেকে তাঁকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
২০২৩ সালের বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে নতুন মুখ ছিলেন ধুপগুড়ি গার্লস কলেজের অধ্যাপক নির্মল চন্দ্র রায়। এবার লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়াতে দিল্লির রাজনীতিতে পা রাখার সম্ভাবনা তৈরি হল। যদিও সেই সুযোগ তিনি আদৌ পাবেন কিনা সেই প্রসঙ্গে বর্তমান বিধায়ক নির্মলবাবুর মন্তব্য, "নির্বাচনী লড়াই তা ঠিক করবে।"
রবিবার ব্রিগেড থেকে লোকসভা নির্বাচনের ৪২ টি আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। সেই তালিকায় নাম থাকায় যথেষ্ট খুশি অধ্যাপক নির্মলবাবু। প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, "ভালই লাগছে। তবে বিধানসভা থেকে লোকসভা জলপাইগুড়ির জন্য আরও অনেক কিছু করার রয়েছে। এটা আরও বড় দায়িত্ব। দলের ভরসার জায়গাটা যাতে ঠিক থাকে, আমি সেটাই চেষ্টা করব।"
১৯৮৪ সালে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস নিয়ে পড়াশোনা করার সময়ে ছাত্র পরিষদের সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। পাশ করার পরে ১৯৮৮ সালে সোনাদা ডিগ্রি কলেজে সহকারি অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর তিনি সেখান থেকে ধূপগুড়ি সুকান্ত মহাবিদ্যালয়ে কাজে যোগ দেন। নির্মলবাবু কংগ্রেসী পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তাঁর বাবা গজেন্দ্রনাথ রায় প্রথম থেকেই জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাবার হাত ধরেই রাজনীতিতে এসেছিলেন নির্মল বাবু। ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরে সেখানে যোগ দেন।
২০১৬ সালে তাঁকে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের তরফে প্রার্থী করা হবে বলে প্রচার হলেও তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। অভিমানে তিনি নির্দল হয়ে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে দলের কথায় মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন। এরপর ২০২৩ এর ধূপগুড়ি উপনির্বাচনের প্রার্থী করা হয় নির্মলবাবুকে। প্রায় সাড়ে চার হাজার ভোটে জয়ী হন তিনি।