
শেষ আপডেট: 30 March 2022 02:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গুপ্তিপাড়ায় গঙ্গা ভাঙনের (Guptipara Ganges Erosion) আশঙ্কা! যে কোনও সময় গঙ্গার গ্রাসে চলে যেতে পারে শ্মশান, প্রতীক্ষালয়, পার্ক। দুশ্চিন্তায় ঘুম উড়েছিল এলাকাবাসীর। তবে চেষ্টার কসুর করল না পঞ্চায়েত (Panchayat)। আর্থিক সাহায্যের অপেক্ষা না করেই এলাকাবাসীর সুরক্ষার কথা ভেবে শুরু হল ভাঙন রোখার কাজ।
আরও পড়ুন: প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেও তৈরি হয়নি রাস্তা! পঞ্চায়েত অফিসে বিক্ষোভ আদিবাসীদের
মঙ্গলবার তাঁদের আশ্বাস দিয়ে পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বজিৎ নাগ বলেন, ভাঙনের বিষয়ে ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসন আর সেচ দফতরকে জানানো হয়েছে। তবে কাজ শুরু করতে হবে দ্রুত। সেই মতোই চলছে প্রস্তুতি।
জানা গেছে, ১৯৯৭ সালে পাকাপোক্ত ভাবে বাঁধানো হয়েছিল গুপ্তিপাড়া ফেরিঘাট। এতদিন ঠিকই ছিল। তবে গত আড়াই মাস ধরে একটু একটু করে ভাঙতে শুরু করেছে গুপ্তিপাড়ার গঙ্গার পাড়। দেড়শো মিটার শাল বল্লার পাইলিং প্রায় সবটাই ভেঙে তলিয়ে গেছে গঙ্গায়। বলাগড় ব্লকের গুপ্তিপাড়া-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ফেরিঘাট সংলগ্ন শ্মশান ঘাটেও যেকোনও সময় উঠে পড়বে গঙ্গার জল। মাত্র পাঁচ বছর আগেই শ্মশানটি নতুন করে তৈরি হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে ভয়ে কাঁটা হয়ে রয়েছেন গুপ্তিপাড়ার বাসিন্দারা।
আরও পড়ুন: মতুয়া সভায় রাজনৈতিক হিংসার নিন্দায় প্রধানমন্ত্রী
কবে আর্থিক সহায়তা মিলবে তার জন্য অপেক্ষা না করেই পঞ্চায়েতের নিজস্ব তহবিল থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়ে ভাঙন রোখার কাজ শুরু হয়েছে। তিন হাজার বস্তা বালি, ২০০ ট্র্যাক্টর, আধলা ইট, ২০০টি বাঁশের খাঁচা তৈরি করে জলে ফেলা হচ্ছে। সে দিকে তাকিয়ে বুক বাঁধছেন এলাকার মানুষ, যাক তাহলে আর ভিটে মাটি ছেড়ে পালাতে হবে না।