রাজ্যের সব জেলায় শুরু হচ্ছে টেলি মেডিসিন পরিষেবা, বাড়িতে বসেই মিলবে স্পেশালিস্টদের পরামর্শ: মুখ্যমন্ত্রী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে এবার বাড়িতে বসেই। কোভিড সংক্রমণ হোক বা যে কোনও শারীরিক অসুস্থতা, মাত্র একটা ফোনেই রোগীকে সমস্যামুক্তির উপায় বলবেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। কলকাতা-সহ বাংলার সমস্ত জেলায় টেলি মেডিসিন পরিষেবা চালু করত
শেষ আপডেট: 28 June 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে এবার বাড়িতে বসেই। কোভিড সংক্রমণ হোক বা যে কোনও শারীরিক অসুস্থতা, মাত্র একটা ফোনেই রোগীকে সমস্যামুক্তির উপায় বলবেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। কলকাতা-সহ বাংলার সমস্ত জেলায় টেলি মেডিসিন পরিষেবা চালু করতে চলেছে রাজ্য সরকার।
সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনা আতঙ্ক, লকডাউনের পরিস্থিতিতে ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না অনেকক্ষেত্রেই। রোগীদের ক্লিনিকে বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ারও সমস্যা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে এই টেলি মেডিসিন পরিষেবায় রোগীরা বাড়িতে বসেই চিকিৎসকদের পরামর্শ পাবেন। অভিজ্ঞ স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন আগামী ১ জুলাই, বুধবার থেকে টেলি মেডিসিন পরিষেবা চালু হবে। তাঁর কথায়, “ কোভিড পরিস্থিতিতে যে জিনিসটা সবচেয়ে বড় সমস্যা করছে সেটা হল ফিজিকালি ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে চিকিৎসা করাতে পারছেন না অনেকে। তাই আমি বলব সেক্ষেত্রে টেলিফোনি অ্যাডভাইজ নেওয়া যেতে পারে।” টেলি মেডিসিন পরিষেবা আগেও চালু ছিল বাংলায়। তবে কোভিড সংক্রমণের এই পরিস্থিতিতে এই পরিষেবাকেই আরও বৃহত্তর ক্ষেত্রে চালু করার ব্যবস্থা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, এই পরিষেবার প্রস্তুতি চলছে। গোটা ব্যাপারটা সেট আপ করতে কিছু সময় লাগবে। আগামী বুধবার বেলা ১২টা থেকে এই পরিষেবা চালু হয়ে যাবে। প্রথমে একটা নম্বর চালু হবে যেখানে ফোন করে পরামর্শ নিতে পারবেন রোগীরা। সমস্ত জেলাকেই যোগ করা হবে এই পরিষেবায়। পরে আস্তে আস্তে প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা আলাদা টেলি মেডিসিন ব্যবস্থা চালু করা হবে।
কলকাতায় টেলি মেডিসিন পরিষেবার জন্য থাকবে একটি নির্দিষ্ট নম্বর, সেখানে ফোন করতে পারবেন রোগীরা। আবার প্রতিটি জেলার জন্য থাকবে আলাদা আলাদা নম্বর। সেখানে ফোন করে শারীরিক সমস্যার কথা বললেন, তার উপযোগী পরামর্শ দেবেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। এই পরিষেবার সুবিধা হল, বাড়িতে থেকেই ডাক্তার বা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবেন রোগীরা। কী ধরনের শারীরিক সমস্যা হচ্ছে সেটা জানাতে পারবেন। খুব জটিল পরিস্থিতি হলে সেক্ষেত্রে অন্য ব্যবস্থা করা হবে। টেলি মেডিসিন চালু হলে একদিকে যেমন উন্নত মানের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া যাবে তেমনি রোগী রেফারের সংখ্যাতেও রাশ টানা যাবে। আগামী দিনে এই টেলি মেডিসিন নিয়েই আরও চিন্তভাবনা রয়েছে রাজ্য সরকারের।