রাণীগঞ্জে কমিউনিটি হল দখল করে জিম তৈরির অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে
দ্য ওয়াল ব্যুরো, আসানসোল: কয়েক বছর আগে থেকে স্থানীয়রা একটি কমিউনিটি হলের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এলাকার বিয়ে-শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের জন্য এলাকায় কোনও জায়গা ছিল না। তাই স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের পক্ষ থেকে বিডিওকে জানানোয় একটি মাল্টিপার্পাস কমিউনিটি
শেষ আপডেট: 15 February 2021 13:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো, আসানসোল: কয়েক বছর আগে থেকে স্থানীয়রা একটি কমিউনিটি হলের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এলাকার বিয়ে-শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের জন্য এলাকায় কোনও জায়গা ছিল না। তাই স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের পক্ষ থেকে বিডিওকে জানানোয় একটি মাল্টিপার্পাস কমিউনিটি হল তৈরি হচ্ছে। কিন্তু সেই কমিউনিটি হলকে ঘিরে রীতিমতো রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, আসানসোলের রাণীগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত ডামড়া এলাকায়।
গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল নেতা তথা রাণীগঞ্জ সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি সৌরভ হাঁড়ি ও তাঁর দলবল এই রাতারাতি এই কমিউনিটি হলকে জিমখানা বানানোর চেষ্টা করছেন। কমিউনিটি হলে এমনকি তৈরি করে ব্যক্তিগত ব্যবসা করতে চাইছেন। হলটি সাধারণ মানুষের জন্য হলেও সৌরভের কাছেই সেটির চাবি থাকবে কেন? সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকার মানুষ। তাঁরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না।

তবে যাঁর ওপর এই ধরণের অভিযোগ উঠেছে সেই সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি সৌরভ হাঁড়ি জানান, রাণীগঞ্জ এলাকার সভাপতি থাকার সময় ডামড়া এলাকার বাসিন্দারা তাঁর কাছে একটা কমিউনিটি হলের জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বিডিও এবং বিধায়কের অনুমতিতে পঞ্চায়েতের ফান্ড থেকে কমিউনিটি হল বানানো শুরু হয়। এখনও সেই কমিউনিটির হলের কাজ পুরো হয়নি।
তবে তিনি আরও জানিয়েছেন, গ্রামবাসীরাই তাঁকে অনুরোধে জানিয়ে ছিলেন, ওই হলে একটি কোচিং সেন্টার ও যুবকদের শরীরচর্চার জন্য জিমখানা বানানো হোক। ফাঁকা সময়েই সেগুলি চলবে। সেই প্রস্তাবের সায় দিয়ে একটি আবেদন পঞ্চায়েত সমিতির দপ্তরে জমা করেন তিনি।
কিন্তু গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, গ্রামের কিছু যুবক কমিউনিটি হলকে দখল করে জিম বানিয়ে ব্যবসা করছেন, তাঁদের দাবি, কমিউনিটি হলের চাবি পঞ্চায়েত দফতরে রাখা হোক। গ্রামবাসী অশোক কেওট জানান, সৌরভ হাঁড়ি রাজনৈতিক দলের নেতা। তাঁর ভাই জোর করে কমিউনিটি হলকে জিম করে ব্যবসা ফেঁদে বসেছেন। তাঁরা রাণীগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতি, রাণীগঞ্জ ব্লক কমিটি এবং বিডিওকে জিম বন্ধ করে অনুষ্ঠানের জন্য হলকে ব্যবহার করা দাবি জানিয়েছেন। তাতে গ্রামবাসীরা উপকৃত হবেন বলে তাঁরা দাবি।