
শেষ আপডেট: 21 October 2018 18:30
শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ক্যারাভানে রয়েছে ৬ বেডের ২টি ঘর। বাথরুমে পাবেন গিজার। রয়েছে ছোট্ট রান্নাঘর। ইনভার্টার থেকে ফ্রিজ সবই একই গাড়িতে। চালক-সহ এক মহিলা হস্টেসও থাকবেন। যিনি বাজার করা থেকে রান্না সবটাই সামলাবেন। সকালের চা থেকে রাতের খাবার সবই একেবারে হাতের কাছেই, চিন্তামুক্ত কয়েকটা দিন ক্যরাভানে বসেই আরামে উপভোগ করতে পারবেন ।
পরীক্ষামূলক অভিযানেই পাঁচ পর্যটককে পেয়ে গেছেন উদ্যোক্তারা। পাঁচ জনই একই পরিবারের। শনিবার এই পরিবার গরুমারা জাতীয় উদ্যান থেকে ক্যারাভানে ওঠেন, সোমবার পৌঁছন আলিপুরদুয়ারে। জঙ্গল অভিযানের জন্য ক্যারাভানে রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। নাইট ভিশন ক্যামেরা সহ বিভিন্ন ধরণের ৬টি ক্যামেরা রয়েছে ক্যারাভানে। গভীর রাতে জঙ্গল অচেনা, অজানা। সেই ভয়ঙ্কর সুন্দরকে উপভোগ করতেই নানা ক্যামেরায় ক্যারাভান। ইতিমধ্যেই রাতের জঙ্গলকে চাক্ষুস করেছেন পাঁচ পর্যটক। জানাচ্ছেন, জীবনের সেরা অভিযান তাঁরা চুটিয়ে উপভোগ করছেন।
প্যাকেজ ট্যুরের মতোই ক্যারাভান যাত্রা। হোটেল, গাড়ি, খাওয়াদাওয়ার সমস্ত সুবিধা একটাই ক্যারাভানে। চেক ইন-চেক আউট নিয়মেই টাকা নিচ্ছেন উদ্যোক্তারা। পাঁচ পর্যটকের প্রতিদিনের খরচ ১০ হাজারের কাছাকাছি।
উদ্যোক্তা বিপ্লব দে জানাচ্ছেন, রাজ্যে এই প্রথম চালু হচ্ছে ক্যারাভান পরিষেবা। দীর্ঘ এক মাস চলার পর পর্যটকদের নিয়ে প্রথম যাত্রা ক্যারাভানের। এই যাত্রা পকেটবন্ধুও । অপেক্ষা না করেই এই শীতেই বাংলার মানুষকে ক্যারাভানে চেপে জঙ্গল দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। তাই আর দেরি না করে শীতের আমেজ সঙ্গে নিয়েই বেরিয়ে পড়ুন ক্যারাভান সাফারিতে। কঙ্গোর ভয়ঙ্কর নিস্তদ্ধতা না পেলেও জঙ্গলের রোমাঞ্চটা কিন্তু আরামে পেয়ে যাবেন।