
শেষ আপডেট: 9 June 2023 10:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে অনেক পঞ্চায়েত সমিতি বা গ্রাম পঞ্চায়েতের অনেক সদস্য রয়েছেন যাঁরা স্করপিও চড়ে ঘোরেন। অনেকের তুলনায় ছোট চার চাকার গাড়িও রয়েছে। কিন্তু শুক্রবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন পষ্টাপষ্টি জানিয়ে দিয়েছে, কোনও গ্রাম পঞ্চায়েত বা পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী চার চাকার গাড়িতে চড়ে প্রচারে যেতে পারবেন না। তাঁকে বা তাঁর এজেন্ট শুধুমাত্র একটি তিন চাকার গাড়ি বা মোটর বাইকে চড়ে প্রচার করতে পারবেন। অর্থাৎ অটো, টোটো বা মোটর বাইকে ঘুরতে হবে তাঁকে।
একমাত্র কেউ যদি জেলা পরিষদের নির্বাচনে প্রার্থী হন, তবে তিনি চার চাকার গাড়ি নিয়ে প্রচারে যেতে পারবেন। কোনও স্বীকৃত রাজনৈতিক দলও একটির বেশি চার চাকার গাড়ি কোনও মহকুমা এলাকায় ব্যবহার করতে পারবে না।
কমিশনের বক্তব্য, জেলা পরিষদের প্রার্থীকে অনেকটা বড় এলাকা জুড়ে ঘুরতে হয়। তাই তাঁদের চার চাকার গাড়ি ব্যবহারে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েত বা পঞ্চায়েত সমিতির এলাকা অনেক ছোট।
কমিশনের এই যুক্তি অনেকেরই হজম হচ্ছে না। তাঁদের মতে, এ অন্যায়, ঘোর বৈষম্য। আবার অনেকে কটাক্ষ করে বলছেন, পঞ্চায়েত সমিতির কত নেতা রয়েছেন, যাঁদের চার চাকা চড়া অভ্যাস হয়ে গিয়েছে, তাঁরা কী করবেন?
কমিশন এও জানিয়েছে, পঞ্চায়েতের ভোট প্রচারে কোনও বাইক মিছিল করা যাবে না। কোনও রোড শো করা হলে, তাতে বড় জোর তিন-চারটে গাড়ি থাকতে পারে। কিন্তু আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে।
পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, বাইক মিছিল বন্ধ করা ইতিবাচক। তা ছাড়া পঞ্চায়েত ভোটের আগে গ্রামে গঞ্জে স্করপিও হাঁকিয়ে ঘুরে বেড়ানো বন্ধে যে পদক্ষেপ করা হয়েছে তাও ভাল। কারণ, ভোটের আগে এরিয়া ডোমিনেশনের জন্য অনেকে গাড়ি ঘোড়া নিয়ে একটা ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করতে চায়। আসলে এবার পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা যথাসম্ভব এড়ানো শুধু কমিশনের উদ্দেশ্য নয়, তা তৃণমূলেরও উদ্দেশ্য। পঞ্চায়েত স্তরে মারাত্মক গোষ্ঠী কোন্দলের অভিযোগ রয়েছে। বিবিধ বিধি নিষেধ আরোপ করে দলের অভ্যন্তরে সংঘাতও শাসক দল এড়াতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে।
পঞ্চায়েত ভোট: রাজ্য পুলিশ দিয়ে কুলোবে না, বিহার, ওড়িশা থেকে পুলিশ আনার ভাবনা নবান্নের