
শেষ আপডেট: 7 July 2023 15:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগের দিন কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) ধাক্কা খেলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhiari)। নির্বাচনের দিনে তাঁর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর সেই আবেদন খারিজ করে দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।
গত ৪ জুলাই রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে ২২টি জেলার পঞ্চায়েত নির্বাচনী অফিসার ও জেলাশাসকদের বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে জানায়, নির্বাচনের প্রচার শেষে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যাঁরা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পান তাঁরা নিজের বুথ এলাকার বাইরে অন্য কোনও জায়গায় নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে ঘুরতে পারবেন না। তবে ভোটের প্রার্থী হলে সেটা আলাদা বিষয়। তাঁর জন্য কিছুটা ছাড়ের কথা বলে কমিশন।
কমিশনের এই বিজ্ঞপ্তির পরই ৬ জুলাই কাঁথি থানার পুলিশ শুভেন্দুকে নোটিস পাঠায়। সেই নোটিসে বলা হয়েছিল, তিনি যেন ভোটের দিন নিজের ভোটকেন্দ্রের এলাকার বাইরে না বের হন।
কাঁথি থানার এই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কীভাবে একজন বিরোধী দলনেতাকে এভাবে নির্দিষ্ট জায়গায় আটকে দিতে পারে? বাংলার শাসক দলের বিধায়কদের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হচ্ছে।
শুক্রবার দুপুরে বিচারপতি সিনহার এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়। সেই শুনানিতে বিচারপতি কমিশনের কাছে শুভেন্দুর অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চান। কমিশন জানায়, নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তিকে নোটিস দেওয়া হয়নি। সকল রাজনৈতিক দলের বিধায়ককে এই নোটিস দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন ওঠে, নন্দীগ্রামের বিধায়ক ও ভোটার শুভেন্দু। তাহলে কেন কাঁথি থানার আইসি চিঠি পাঠালেন বিরোধী দলনেতাকে?
হাইকোর্টে এদিন সেই প্রশ্নই তোলেন শুভেন্দু। যদিও বিচারপতি সিনহা বিষয়টায় তেমন আমল দেননি। তবে রাজ্যের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, শুভেন্দু যেহেতু নন্দীগ্রামের বিধায়ক ও ভোটার, তাই তিনি তাঁর এলাকা ছেড়ে যাতে কাঁথি না ঢুকতে পারেন, সে কথা ভেবেই নোটিস পাঠানো হয়েছে কাঁথি থানার তরফ থেকে।
কমিশন আরও জানায়, যদি এমন কোনও ঘটনা দেখা যায়, তবে কমিশন ব্যবস্থা নেবে। তারপরই হাইকোর্ট শুভেন্দুর মামলা খারিজ করে দেয়। কমিশনের নির্দেশই পালন করতে হবে শুভেন্দুকে, জানিয়ে দেয় উচ্চ আদালত।
৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করেছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট!