
শেষ আপডেট: 17 October 2019 18:30
এনডিআরএফের ডেপুটি কমান্ডার অভয় কুমার সিং জানিয়েছেন, অবৈধ ওই খনিমুখ এতটাই ছোট ছিল যে প্রথমে দুটি জেসিবি দিয়ে মাটি কেটে খনিমুখের আয়তন বাড়ানো হয়। তবে ভিতরে নামা সম্ভব হয়নি। কারণ এই ধরনের অবৈধ খনিগর্ভ কার্বন-ডাই অক্সাইড ও কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে ভর্তি থাকে। তাই ওই খনিমুখের সমান্তরালেই ৩০ মিটার দূরত্বে আরেকটি গর্ত খোঁড়ার কাজ শুরু হয়। প্রায় ২০-২৫ ফুট গভীর করে খোঁড়া হয় ওই গর্ত। যাতে সেখানে নেমে র্যাট হোল খনির ভিতর পৌঁছতে পারেন উদ্ধারকারীরা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই গোটা আয়োজনেই সারা বেলা কেটে যায়। আতঙ্ক বাড়তে থাকে, বাড়ে উৎকণ্ঠাও। প্রতি মুহূর্তে যুবকদের বেঁচে ফেরার সম্ভাবনাও ক্ষীণ হতে থাকে। হাহাকার বাড়তে থাকে মৃতের পরিবারের লোকজনের। সন্ধে নাগাদ গর্ত খোঁড়ার কাজ শেষ হয়। এনডিআরএফের পাঁচ জন ভিতরে নেমে জানান যুবকদের দেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। খনির ভিতরের পরিস্থিতিরও বর্ণনা দেন তাঁরা। সেইমতো কমান্ডার অভয় কুমার সিং ও পুলিশ আধিকারিক সঞ্জীব কুমার ঝাঁর নির্দেশে রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ এনডিআরএফের আরও কয়েকজন গর্তের ভিতর দিয়ে খনিতে পৌঁছে কালীচরণের দেহ উদ্ধার করেন। পরে ১২টা নাগাদ উদ্ধার হয় আরও দু’জনের দেহ।

পুলিশ জানিয়েছে, বিজলি খাদানের পাশ ঘেঁষে ওই খাদানের কথা জানতেন না বেশি কেউই। আদিবাসীরাই খুঁড়ে গাছপালা চাপা দিয়ে রেখেছিলেন। সন্ধের আঁধারে খাদানে নেমে চলত কয়লা তোলার কাজ। মৃতদের পরিবার জানিয়েছে, রবিবার সন্ধেয় খাদান পরিষ্কার করতে গিয়েছিলেন তিনজনে। আর ফিরে আসেননি। বিধায়ক উজ্জ্বলবাবু বলেছেন, দু’পয়সা বেশি রোজগারের জন্য গ্রামের ছেলেরা ওই সব খাদানে নামেন। সেখান থেকে কয়লা তুলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন তাঁরা। কুলটির নানা জায়গায় আগাছার মতো গজিয়ে উঠেছে এইসব খাদান। নিষেধ করা সত্ত্বেও প্রাণের তোয়াক্কা না করে রাতের অন্ধকারে খাদানে নেমে চলে কয়লা তোলার কাজ।
আরও পড়ুন:
https://www.four.suk.1wp.in/news-west-bengal-rescue-operation-begins-at-kulti-illegal-coal-mine/
পড়ুন, দ্য ওয়ালের পুজোসংখ্যার বিশেষ লেখা...
https://www.four.suk.1wp.in/pujomagazine2019/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87/