দিদির মুখে পিট্টু-গাদি-সাঁতার, ভবানীপুরের সঙ্গে ছেলেবেলার যোগ বোঝালেন মমতা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চেতলার জেলে পাড়ার কাছে ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে তিনি মশারি কিনতে যেতেন। এখন দেখতে দেখতে যান। তাঁর পিট্টু, গাদি খেলা, সাঁতার শেখা—এ সবই ভবানীপুরে (Bhawanipur)। চেতলার দ্বিতীয় কর্মিসভায় দাঁড়িয়ে বুধবার ভবানীপুর উপনির্বাচনের তৃণমূল
শেষ আপডেট: 22 September 2021 15:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চেতলার জেলে পাড়ার কাছে ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে তিনি মশারি কিনতে যেতেন। এখন দেখতে দেখতে যান। তাঁর পিট্টু, গাদি খেলা, সাঁতার শেখা—এ সবই ভবানীপুরে (Bhawanipur)। চেতলার দ্বিতীয় কর্মিসভায় দাঁড়িয়ে বুধবার ভবানীপুর উপনির্বাচনের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বোঝাতে চাইলেন তাঁর সঙ্গে এই এলেকার যোগ ছেলেবেলার। ভবানীপুর যে তাঁর সঙ্গে মিশে গিয়েছে তা বারবার তুলে ধরতে চাইলেন দিদি।
এবারের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা। কিন্তু সেখানে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হতে হয়। যদিও তা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা চলছে। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে হলে ছ’মাসের মধ্যে নির্বাচিত হয়ে আসতেই হতো। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ইস্তফা দিয়ে দিদির জন্য ভবানীপুর ছেড়ে দিয়েছিলেন।
এদিন মমতা বলেন, “ভবানীপুরে দাঁড়ানোটা হয়তো ঈশ্বরের ইচ্ছে। হয়তো ভবানীপুরের মানুষ মনে মনে বলেছিলেন, ওঁকে আমরা বাইরে যেতে দেব না।”
একটা সময় পিট্টু, গাদি—এসব ছিল বাঙালির সঙ্গে মিশে থাকা খেলা। পরবর্তীতে সেসব খেলা কার্যত বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। দিদি যেন পুরনোদের মনে সেসবও ভাসিয়ে তুলতে চাইলেন। বোঝাতে চাইলেন, আজ তিনি মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। একদিন তিনিও ছোট ছিলেন। এই পাড়াতেই বড় হয়েছেন। স্কুল, কলেজ, খুনসুটি, পড়াশোনা থেকে রাজনীতি—সবটাই তাঁর এই ভবানীপুরেই। পর্যবেক্ষকদের মতে, নন্দীগ্রামে দাঁড়াতে যাওয়া নিয়ে ভবানীপুরের মানুষ যাতে অন্য ভাবে না ভাবেন উপনির্বাচনের প্রচারে সেই চেষ্টাও করছেন তৃণমূলনেত্রী।
এদিন বক্তৃতার শুরুতে মমতার বক্তৃতার বিষয়ই ছিল চেতলার দুর্গাপুজো গোপালনগর, জেলেপাড়ার পুজো নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, চেতলার পুজো মানে কালারফুল পুজো। কোনও বার ইয়োলো তো কোনও বার একদম সবুজ। দারুণ কালারফুল।
তা ছাড়া এদিন মমতা এও বলেন, ভবানীপুরে আমি থাকি, মুখ্যসচিব থাকেন এই কেন্দ্রেরই জেলে পাড়ায়, আমার ডিজি থাকেন আলিপুর জেলের ঠিক পাশটায়। ভবানীপুর হচ্ছে আক্ষরিক অর্থেই দুয়ারে সরকার।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'