
শেষ আপডেট: 12 July 2023 06:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার পঞ্চায়েত ভোটের গণনার বিকেলে ছবিটা স্পষ্ট হয়ে গেছিল। শেষমেশ হলও তাই। রাজ্যসভা নির্বাচনে (Rajaya sabha election) বাংলা থেকে অনন্ত মহারাজকে (Ananta Maharaj) প্রার্থী করছে বিজেপি।
অনন্ত মহারাজ কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। উত্তরবঙ্গে রাজবংশী ভোটে তাঁর বৃহত্তর প্রভাব রয়েছে। লোকসভা ভোটে সেই ভোটকে বিজেপির অনুকূলে টানার জন্য এই পদক্ষেপ করা হল বলে মনে করা হচ্ছে। অনন্ত মহারাজকে প্রার্থী করার ব্যাপারে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সুপারিশ করেছিলেন। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও অনন্ত মহারাজের নাম প্রস্তাব করেছিলেন। তবে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ ছিল কোচবিহারের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের।
গতকাল যখন পঞ্চায়েত ভোটের গণনা চলছিল, সেই সময়েই অনন্ত মহারাজের চকচকার বাড়িতে গিয়ে দেখা করে এসেছিলেন নিশীথ প্রামানিক। নিশীথ জানিয়েছিলেন, অনন্তকে প্রাথী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তিনি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন।
উনিশের লোকসভা ভোটে উত্তরবঙ্গে ভাল ফল করেছিল বিজেপি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, বালুরঘাট, রায়গঞ্জ, মালদহ (উত্তর) সহ মোট ৭টি আসনে জিতেছিল তারা। সেই সব আসন যাতে চব্বিশের ভোটেও ধরে রাখা যায় সেই কারণেই অনন্ত মহারাজকে প্রার্থী করা হল বলে মনে করা হচ্ছে।
অনন্ত বহুদিন ধরেই বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে বেশ কয়েকবার দেখা করেছেন তিনি। তাঁকে রাজ্যসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থী করার পর অনেকে মনে করছেন যে, বিজেপি উত্তরবঙ্গে খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী নয়। সেখানে তাঁদের ভোট সম্ভাবনা নিশ্চিত করতে তাই রাজবংশী নেতার শরণে যেতে হল।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, হিন্দিবলয়ের রাজ্যগুলির মতো বিজেপি বাংলায় সামাজিক কারিগরী শুরু করেছে। সেই কারণে রাজবংশী, আদিবাসী, কুর্মি ইত্যাদি জাতি ধরে ধরে বিজেপি ও সঙ্ঘ পরিবারের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা চলছে। এই রাজনীতি আগামী দিনে বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে আরও বেশি বিভাজন তৈরি করতে পারে।
বিজেপি প্রার্থী কাঁদছিলেন বাক্স না দেখে, তৃণমূল খুঁজে এনে দিলে, জেতার পর পাঁ ছুঁয়ে প্রণাম