দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে নারী পাচার ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পতিতালয়ে মেয়েদের বিক্রির অভিযোগ ছিলই। পরে জানা যায় সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গেও গভীর যোগাযোগ তার। বসিরহাট থানার হরিহরপুর সোলাদানা গ্রাম থেকে জইশ-ই-মহম্মদের লিঙ্কম্যান সন্দেহে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হল রুহুল আমিন মণ্ডল নামে এক যুবককে।
সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরে রুহুল আমিনকে খুঁজছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দফতর। সাহায্য চাওয়া হয়েছিল ইন্টারপোলের। বছর ৩০ এর এই যুবককে গত চারমাস ধরে নজরবন্দি করার চেষ্টা চালাচ্ছিল এনআইএর একটি তদন্তকারী দল। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিক মোহাম্মদ সাজিদ খানের নেতৃত্বে পাঁচজনের একটি দল রাজ্যে আসে। তার মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্রাক করে বসিরহাটের হরিহরপুর সোলাদানা গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে রুহুল আমিনকে।
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিক জানান, রাজ্য তথা দেশের একাধিক থানায় শিশু ও নারী পাচার, বিক্রি এবং পতিতালয়ে দেহ ব্যবসার সঙ্গে কাজে লাগানোর অভিযোগ রয়েছে রুহুলের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি সেই অঞ্চলের সামরিক ও বেসামরিক তথ্য পাচারেরও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। রুহুলের বিরুদ্ধে বাড়িতে বাংলাদেশের প্রচুর শিশু ও নারীদের রাখার অভিযোগ রয়েছে। তার কাছ থেকে প্রচুর আধারকার্ড ও ভোটার কার্ড পাওয়া গেছে। সেইগুলো আসল না নকল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথা থেকে এই নথিপত্র এল তাও খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দফতর।
আজ শুক্রবার বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয় রুহুল আমিন মণ্ডলকে। পাঁচ দিনের এনআইএ রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে তাকে। শনিবার গোয়েন্দা দফতর বিশাখাপত্তনম আদালতে পেশ করবে তাকে। রুহুলকে জেরা করে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ সম্পর্কে নানা তথ্য মিলবে বলে গোয়েন্দা কর্তাদের আশা।