Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দ

গুলি চালানো বা ভাঙচুরের প্রমাণ নেই, জামিন ৪৮ ‘দাঙ্গাবাজকে’, পুলিশকে তিরস্কার কোর্টে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ২০ ডিসেম্বর নাগরিকত্ব বিরোধী আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর সময় উত্তরপ্রদেশের বিজনৌর থেকে মোট ৮৩ জন গ্রেফতার হয়। অভিযোগ, তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করেছিল। মঙ্গলবার ধৃতদের মধ্যে ৪৮ জনক

গুলি চালানো বা ভাঙচুরের প্রমাণ নেই, জামিন ৪৮ ‘দাঙ্গাবাজকে’, পুলিশকে তিরস্কার কোর্টে

শেষ আপডেট: 30 January 2020 06:46

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ২০ ডিসেম্বর নাগরিকত্ব বিরোধী আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর সময় উত্তরপ্রদেশের বিজনৌর থেকে মোট ৮৩ জন গ্রেফতার হয়। অভিযোগ, তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করেছিল। মঙ্গলবার ধৃতদের মধ্যে ৪৮ জনকে জামিন দেয় বিজনৌরের এক আদালত। বিনা প্রমাণে এতজনকে গ্রেফতার করার জন্য কড়া সমালোচনা করা হয় পুলিশের। বিচারক বলেন, “পুলিশের এফআইআরে বলা আছে, উত্তেজিত জনতা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। কিন্তু কোনও অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। গুলি চালানোর প্রমাণ নেই।” ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ সম্পর্কে বিচারক বলেন, “পুলিশের এফআইআরে বলা হয়েছে, উত্তেজিত জনতা বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করেছে। পুলিশের গাড়ি ও কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর চালিয়েছে। কিন্তু ভাঙচুর সম্পর্কে রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে ঘটনার অন্তত ২০ দিন পর। সরকারি কৌঁসুলি বলছেন, ১৩ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। কিন্তু মেডিক্যাল রিপোর্ট বলছে, তাঁদের আঘাত খুবই সামান্য।” রাজধানী দিল্লি থেকে ১৬১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বিজনৌরে নাগরিকত্ব আইন বিরোধী বিক্ষোভে ব্যাপক হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। দু’জনের মৃত্যু হয়। পুলিশ স্বীকার করে, একজনের মৃত্যু হয়েছে তাদেরই গুলিতে। উত্তরপ্রদেশে ওই এক জায়গাতেই গুলি চালানোর কথা স্বীকার করে পুলিশ। বিজনৌরের নাগিনা নামে এক ছোট্ট শহরেই সবচেয়ে বেশি হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে। এছাড়া উত্তরপ্রদেশের অন্যান্য জেলা থেকেও হিংসাত্মক ঘটনার খবর পাওয়া যায়। পুলিশ কয়েক হাজার বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করে। তাদের দাবি, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঠেকাতে গিয়ে অন্তত ৬০ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। যদিও পুলিশের ‘বাড়াবাড়ি’ নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন। কয়েকজন অভিযুক্তের হয়ে কোর্টে সওয়াল করেছিলেন বিজনৌরের আইনজীবী আহমেদ জাকাওয়াত। তিনি বলেন, “পুলিশের দাবি, অনেকগুলি সরকারি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। কিন্তু তেমন একটি গাড়ির নাম্বার প্লেটও তারা দেখাতে পারেনি। পুলিশ মিথ্যা অভিযোগ করছে।”

```