দ্য ওয়াল ব্যুরো : ভারতে ১০০ কোটি মানুষকে করোনার ভ্যাকসিন (Vaccine) দিতে সময় লেগেছে ন'মাস। কিন্তু এর পরে আগামী তিন-চার মাসেই আরও ১০০ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া যাবে। বৃহস্পতিবার এমনই জানালেন ন্যাশনাল এক্সপার্ট গ্রুপ অব ভ্যাকসিন অ্যাডমিনস্ট্রেশনের প্রধান এন কে অরোরা। বৃহস্পতিবারই জানা যায়, ভারত ১০০ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। অরোরা বলেন, "আমরা কীভাবে চলতি বছরের মধ্যে দেশের সব মানুষকে ভ্যাকসিন দেব? আমার মনে হয়, এবছরের শেষে প্রাপ্তবয়স্কদের বেশিরভাগকে অন্তত একটি ডোজ দেওয়া সম্ভব হবে।"
সরকার জানিয়েছে, দেশের প্রাপ্তবয়স্কদের তিন-চতুর্থাংশকে টিকার অন্তত একটি ডোজ দেওয়া হয়েছে। ৩০ শতাংশ মানুষ পেয়েছে দু'টি ডোজ। অরোরা বলেন, ৭ অগাস্টের মধ্যে ৫০ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল। আমরা আশা করেছিলাম, অক্টোবরের মধ্যে ১০০ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হবে। আগামী জানুয়ারির মধ্যে আমরা আরও ১০০ কোটি ডোজ পেয়ে যাব। আগামী তিন-থেকে চার মাসের মধ্যে আরও ১০০ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হবে।
টিকা দানে ভারতের সাফল্য তুলে ধরতে বৃহস্পতিবার লালকেল্লায় বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবিয়া সকাল থেকেই টুইটের পর টুইট করে দেশের গবেষক, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও কোভিড-যোদ্ধাদের শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। টুইট করে মোদীকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বিজেপি নেতা -নেত্রীরা। বেশ কিছু দেশও ভারতের সাফল্যের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছে। মিলিয়ে মোদী বন্দনায় মেতেছে বিজেপি।
গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭১তম জন্মদিনের দিনেই টিকাকরণে নজির গড়েছিল ভারত। একদিনে আড়াই কোটির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ
দেশে টিকাকরণে বিপুল সাফল্যে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী টুইটে লিখেছেন, "ভারত ইতিহাস তৈরি করল। বিজ্ঞানের জয় দেখলাম আমরা। ১৩০ কোটি দেশবাসীর সম্মিলিত প্রয়াস ও একতায় ১০০ কোটি টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ হল। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং এই বিশাল কর্মযজ্ঞে সামিল সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।"