দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণের মধ্যেই এবার অসমের হাইস্কুল লিভিং সার্টিফিকেট বা এইচএসএলসি ও অসম হাই মাদ্রাসা বা এএইচএম পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করল দ্য বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন অসম। বলা হয়েছে, ১১ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত হবে এই পরীক্ষা। দুটি অর্ধে পরীক্ষা হবে। প্রথম অর্ধ শুরু হবে সকাল ৯টায়। চলবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হবে দুপুর দেড়টায়। চলবে বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত।
কবে কোন পরীক্ষা হবে সেই সূচিও প্রকাশ হয়েছে। ১১ মে ইংরেজি পরীক্ষা হবে সকাল ৯টা থেকে। ১৩ মে সকাল ৯টায় শুরু অসমিয়া পরীক্ষা। ১৫ মে হবে উড ক্র্যাফট, রিটেল ট্রেড এনএসকিউএফ, আইটি/আইটিইএস এনএসকিউএফ, প্রাইভেট সিকিওরিটি এনএসকিউএফ, হেলথ কেয়ার এনএসকিউএফ, অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড হর্টিকালচার এনএসকিউএফ, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটাল এনএসকিউএফ পরীক্ষা। সেটিও প্রথমার্ধে হবে। ১৭ মে সকাল ৯টায় রয়েছে অঙ্ক পরীক্ষা। পরের দিন অর্থাৎ ১৮ মে দুপুর দেড়টায় শুরু মিউজিক, ডান্স ও ওয়েভিং টেক্সটাইল পরীক্ষা।
১৯ মে সাঁওতালি ও মণিপুরি পরীক্ষা রয়েছে সকালে। ২২ মে দুপুর দেড়টা থেকে শুরু হবে ফাইন আর্টস পরীক্ষা। ২৫ মে সকালে বিজ্ঞান পরীক্ষা রয়েছে। ২৯ মে সকাল ৯টা থেকে শুরু সমাজ বিজ্ঞান। ৩১ মে সকালে রয়েছে হিন্দি, আরাবিক সাহিত্য ও গার্মেন্টস ডিজাইন। ১ জুন সকালে রয়েছে সংস্কৃত, আরাবিক, পারসি, অ্যাডভান্সড ম্যাথ, ইতিহাস, ভূগোল, হোম সায়েন্স, নেপালি, কম্পিউটার সায়েন্স, বাংলা পরীক্ষা।
লিখিত পরীক্ষা মে মাসে হলেও প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা অবশ্য হবে মার্চ মাসে। ৪ মার্চ রয়েছে মিউজিক, ফাইন আর্টস, কম্পিউটার সায়েন্স, গার্মেন্টসের প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষা। ৫ মার্চ রয়েছে ডান্স, ওয়েভিং টেক্সটাইল ডিজাইন, উড ক্রাফ্ট, হোম সায়েন্স, প্রাইভেট সিকিওরিটি এনএসকিউএফ, হেলথ কেয়ার এনএসকিউএফ, অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড হর্টিকালচার এনএসকিউএফ, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটাল এনএসকিউএফ প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষা। সবগুলি পরীক্ষায় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত হবে।
বোর্ড জানিয়েছে, প্রতিটি পরীক্ষা শুরু হবে ৫ মিনিট আগে। অর্থাৎ সকালের পরীক্ষা ৮টা ৫৫ মিনিটে এবং দুপুরের পরীক্ষা ১টা ২৫ মিনিটে শুরু হবে। পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য অতিরিক্ত ৫ মিনিট করে সময় দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বোর্ড।
পরীক্ষায় যাতে কোনও রকমের স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন না হয় সেদিকে নজর দেওয়ার জন্য স্কুলগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে বোর্ড। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সব রকমের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সুষ্ঠুভাবে যাতে সব পরীক্ষা শেষ করা যায় তার জন্য স্কুল বোর্ডের আধিকারিকদের নজরদারি চালানোর কথাও বলা হয়েছে।