
শেষ আপডেট: 2 July 2020 01:29
গোটা উদ্যোগের মুখ্য বিষয়গুলি হল-
ক) যে ১০৯ জোড়া রুটকে বেসরকারি ট্রেন চালানোর জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে সেগুলি ১০ থেকে ১২ টি ক্লাস্টারে বিভক্ত করা হয়েছে।
খ) দিল্লি-কলকাতা, শালিমার-পুণে, মুম্বই-দিল্লি, চেন্নাই-দিল্লি, পাটনা-দিল্লি রুট এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। দিল্লি-মুম্বই এবং লুধিয়ানা-ডানকুনি ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর চালু হয়ে গেলে বেসরকারি উদ্যোগে ট্রেন চালানোর জন্য রুটের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।
গ) প্রতিটি নতুন ট্রেনে ন্যূনতম ১৬ টি কোচ থাকতে হবে। সর্বোচ্চ কোচের সংখ্যা ওই রুটের সব থেকে লম্বা ট্রেনের কোচ সংখ্যার সমান হবে।
ঘ) সর্বোচ্চ ঘন্টায় ১৬০ কিলোমিটার গতিবেগে প্রস্তাবিত এই ট্রেন চালানো যাবে।
ঙ) কোনও রুটে প্রাইভেট ট্রেন ও সরকারি ট্রেন থাকলে লক্ষ্য রাখা হবে যাতে টাইমিংয়ের সংঘাত না হয়। নীতি আয়োগের সুপারিশ হল, প্রাইভেট ট্রেন যেন অন্তত ১৫ মিনিট আগে ছাড়ে। সরকারি ট্রেন পরে ছাড়বে। পর্যবেক্ষকদের মতে, তা না করলে ট্রেন চালাতে বেসরকারি লগ্নি পাওয়া যাবে না।
চ) বেসরকারি ট্রেন অত্যাধুনিক হতে হবে। তাতে আধুনিক সব রকমের স্বাচ্ছন্দ্য যাতে থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে। এ ব্যাপারে রেলের কিছু প্রস্তাব রয়েছে-
১) রেলের বগি আধুনিক হতে হবে। কোচের বাইরের অংশ স্টেনলেস স্টিল বা অ্যালুমিনিয়ামের হতে হবে। ব্রেক সিস্টেমও থাকতে হবে আধুনিক। কোচের ভিতরের জিনিস এমনভাবে তৈরি করতে যাতে তা অগ্নিরোধক হয়। অর্থাৎ আগুন লাগলে তা যেন না ছড়িয়ে পড়ে। ট্রেনে যেন মডিউলার কাপলার থাকে এবং বাইরে থেকে কেউ যেন ইচ্ছামতো ট্রেনে উঠে পড়তে না পারে।
২) ট্রেনে যেন ফোল্ডিং পাদানি থাকে। যাতে প্রবীণ নাগরিক ও বিশেষ ভাবে সক্ষমদের ট্রেনে উঠতে নামতে সুবিধা হয়।
৩) জিপিএস এনাবেলড ঘোষণা ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৪) যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। ট্রেনের মধ্যে কার্যকরী শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রাখতে হবে। ট্রেনের টয়লেট সর্বদা পরিচ্ছন্ন ও জীবানুমুক্ত রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
৫) বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলির মতোই এ ক্ষেত্রে ভাড়া নির্ধারণের পূর্ণ এক্তিয়ার বেসরকারি সংস্থার হাতেই থাকবে।
৬) রেলের শর্ত মেনে ওই কোচ তৈরি করা হয়েছে কিনা বা নিরাপত্তার বিষয়টি কতটা সুনিশ্চিত করা হয়েছে তা সময়ান্তরে খতিয়ে দেখবে রেল।