দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ১৮ এপ্রিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক ঘোষণা করোনা প্রতিরোধে মডেল হিসেবে ঘোষণা করেছিল কেরলের কাসারগড়কে। কিন্তু সেই মডেল জেলাতেই সংক্রমণের নতুন আশঙ্কা তৈরি হল। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে কাসারগড়ের জেলাশাসককে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল কেরল সরকার। একইসঙ্গে জেলাশাসকের গাড়ির চালক, নিরাপত্তারক্ষী-সহ মোট ১০ জনকে কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ দিয়েছেপিনারাই বিজয়ন সরকার।
সম্প্রতি কেরলের এক টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ওই সাংবাদিকের পজিটিভ ধরা পড়ার পরই তাঁর সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন তার খোঁজ শুরু হয়। দেখা যায় কয়েকদিন আগেই মডেল কাসারগড়ের জেলাশাসকের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন তিনি। এরপরই নড়েচড়ে বসে কেরল সরকার।
জেলাশাসকের ঘর সিল করে দিয়ে স্যানিটাইজ করার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। কেরল সরকার নির্দেশ দিয়েছে ওই মিডিয়া হাউসের সমস্ত কর্মীর করোনা টেস্ট করাতে হবে। সাংবাদিকের সংক্রমণের ফলে নতুন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে করোনা যুদ্ধে নজির গড়া কেরলে।
ভারতের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ রাজ্য হয়েও, গত কয়েক দিনের মধ্যে হু হু করে কমেছে সংক্রমণ। আর এই লড়াইয়ে দুর্দান্ত সাফল্য মিলেছে কাসারগড় জেলায়।
অথচ এই কাসারগড় জেলাতেই প্রথম খোঁজ মিলেছিল করোনা আক্রান্তের। তার পরে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করলে একসময়ে গোটা রাজ্যের প্রায় অর্ধেক করোনা আক্রান্ত রোগী এই জেলারই বাসিন্দা ছিলেন। কিন্তু শুধু শৃঙ্খলা আর পরিকল্পনায় সেই সংকট সামাল দিয়েছে জেলাটি। এক জনও মারা যাননি এখানে।